শিশুর মোবাইল আসক্তি কমাতে কি করবেন?

শিশুর মোবাইল আসক্তি কমাতে কি করবেন?
শিশুর মোবাইল আসক্তি কমাতে কি করবেন?
ঘরের কাজে তাকে আগ্রহী করতে পারেন। বাসার ছোট ছোট কাজগুলো বিশেষ করে নিজের কাজ গুলো নিজেই করে নেওয়ার কায়দাকানুন তাকে শেখান। যেমন নিজের খাট গোছানো, বইপত্র গুছিয়ে রাখা, জায়গার জিনিস আবার জায়গায় ঠিক করে রাখা এসবে তাকে উদ্বুদ্ধ করুন। 

বন্দী সময় সবার জন্যই বেশ কষ্টকর। জীবনের রুটিন বদলে যাওয়ায় একটা প্রভাব তো পড়েই। আর শিশুদের জন্য এসময়টা মানিয়ে নেওয়া একটু বেশিই কষ্টসাধ্য। লকডাউনের কারণে স্কুল কলেজ বন্ধ। পার্ক থেকে শুরু করে শিশুদের সময় কাটানোর মোটামুটি সব ক্ষেত্রই বন্ধ। শিশুরা ঘরবন্দী থাকায় আসক্ত হয়ে পড়ছে মোবাইলের প্রতি। যা তাদের জন্য মোটেও ভালো নয়। এমন পরিস্থিতিতে আপনার শিশুর মোবাইল আসক্তি কমাতে যা করতে পারেন, শিশুকে নিয়ে বাসার সামনে খোলা জায়গা থাকলে বা  ছাদে একটু সময় কাটান। সাইকেল চালানো বা ছাদে বাগান করার প্রতি তাকে আগ্রহী করে তুলুন। 

 

ঘরের কাজে তাকে আগ্রহী করতে পারেন। বাসার ছোট ছোট কাজগুলো বিশেষ করে নিজের কাজ গুলো নিজেই করে নেওয়ার কায়দাকানুন তাকে শেখান। যেমন নিজের খাট গোছানো, বইপত্র গুছিয়ে রাখা, জায়গার জিনিস আবার জায়গায় ঠিক করে রাখা এসবে তাকে উদ্বুদ্ধ করুন। 

 

ক্রাফটিং এর কাজ শেখাতে পারেন। এসব কাজে শিশুদের আগ্রহ নিজে থেকেই আসে। এতে শিশুদের একটু সাহায্য করলে তারা বেশ আনন্দ নিয়েই এ ধরণের কাজ করে। তাই তাকে পেইন্টিং, কাগজ কেটে বোর্ডে লাগানো, ছবি কোলাজ করা, নিজের বেডরুমের দেয়ালে কাগজ দিয়ে নকশা করা, গলার মালা, কানের দুল থেকে শুরু করে নিজের মতো করে খেলনা বানানো এসব কাজে শিশুদের উৎসাহিত করুন।

 

শিশুর সামনে বাসার বড়রা মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকা কমিয়ে দিন। কেননা বড়দের মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখলে শিশুদেরও মোবাইলের প্রতি আগ্রহ বেশি জন্মায়। 

 

গল্পের ছলে লেখাপড়ায় মনোযোগী করুন তাদের। এতে তাদের লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ হারাবে না। তাদের ধাঁধা খেলতে পারেন। বাগ, ফ্লাশলাইট, ডুডল  কোয়েস্ট, ফায়ারফ্লাইসের মতো বোর্ডগেমগুলো খেলা যায় তাদের সঙ্গে।