অ্যাপেল সিডার ভিনেগার সঠিকভাবে খাচ্ছেন তো? 

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার সঠিকভাবে খাচ্ছেন তো? 
অ্যাপেল সিডার ভিনেগার সঠিকভাবে খাচ্ছেন তো? 
এটি ফ্যাট বার্ন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। সঙ্গে এটি শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। কোনোরকম ডায়েট ব্যায়াম ছাড়াও এটি নিয়মিত পান করলে ১২ সপ্তাহে ২-৩ কেজি ওজন কমাতে পারে।

ওজন কমাতে অনেকেই অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খান নিয়মিত। কিন্তু এটি খাওয়ার জন্য যেমন কিছু নিয়ম মানতে হবে তেমনি কেনার সময়ও কিছু বিষয় মাথায় রেখে কিনতে হবে। ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য অবশ্যই উইথ মাদার দেখে কিনুন। নিয়মিত খাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম মানবেন, তার মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সময় এবং পরিমাণ। 

 

ওজন কমানো, রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখা বা ফাঙ্গাল ইনফেকশন সারানোয় এর জুড়ি মেলা ভার। আপেলের সঙ্গে ছত্রাক মিশিয়ে এটির শর্করাকে প্রথমে অ্যালকোহলে রূপান্তরিত করে তাতে অ্যাসেটিক অ্যাসিড ব্যাক্টেরিয়া মিশিয়ে সেটিকে ফের ফার্মেন্ট করে পরিণত করা এই ভিনেগার রক্তে শর্করার পরিমাণ হ্রাস করে, যা সহায়তা করে বিপাকক্রিয়ার উন্নতিতে। 

 

একইসঙ্গে এটি ফ্যাট বার্ন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। সঙ্গে এটি শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। কোনোরকম ডায়েট ব্যায়াম ছাড়াও এটি নিয়মিত পান করলে ১২ সপ্তাহে ২-৩ কেজি ওজন কমাতে পারে। আর সাথে ডায়েট ও ব্যায়াম করলে তো কথাই নেই৷ তবে সময় ও পরিমাণ  ঠিক রাখা খুবই জরুরি।  দৈনিক ২ চামচের বেশি খাওয়া যাবে না। সকালে খালি পেটে ১/২ কাপ উষ্ণ গরম পানিতে মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি খাওয়ার ২০ - ৩০ মিনিট পরে খাবার খাবেন। 

 

এছাড়াও যারা ডায়েট মেনে চলেন ডাক্তারের পরামর্শে তারা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ীই খাবেন।