জনপ্রিয় যুগলদের জুটিবদ্ধ অনুভূতি

জনপ্রিয় যুগলদের জুটিবদ্ধ অনুভূতি
‘প্রেম আমার কাছে ব্যাখ্যাতীত। প্রেমকে সংজ্ঞায়িত করা যায় না। তবে প্রেমকে অনুধাবন করার জন্য সবার আগে প্রয়োজন সুন্দর একটি মনের। আমি তো মনে করি যে, মানুষের মন যতসুন্দর, সে মানুষের জীবনে ততপ্রেম আসে। দেখা এবং না-দেখার মাঝেও কিন্তু প্রেম বসবাস করে। শুধু যে প্রাপ্তির মাঝে প্রেমের সার্থকতা, তা কিন্তু নয়। কোনো কিছু পাওয়ার আশায় তো স্বার্থবাদী হয়ে কেউ ভালোবাসে না। ভালোবাসা স্বার্থহীন।’ এমনিভাবে প্রেমের সার্থকতার কথা বললেন ওয়াহিদা মল্লিক জলি। ‘আমার ও জলির মাঝে পরিচয় রাজশাহীতে হলেও পারস্পরিক সখ্য বাড়ে কলকাতায় পড়তে গিয়ে। প্রেম মানে পরস্পরকে বুঝতে পারা। আমি যে মানুষটিকে ভালোবাসব তাকে যদি না বুঝতে পারি, তাহলে এই প্রেমের কোনো অর্থ আছে বলে মনে হয় না।

ভালোবাসার দিবস পৃথিবীর সব মানুষের জন্যই সমান।  ভালোবাসা শুধু স্ত্রী বা প্রেয়সীর জন্য নয়, তা বাবা-মাসহ পরিবারের সব সদস্য এবং বন্ধুদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া উচিত। ভালোবাসা দিবস একদিনের জন্য নয়, প্রতিদিনই ভালোবাসা থাকতে হবে। এবারের আয়োজনে আমাদের মিডিয়ার কয়েকজন জনপ্রিয় যুগলরা জানিয়েছেন তাদের ভালোবাসার অনুভূতি।

 
আলমগীর-রুনা লায়লা
তারা দু’জনই স্ব-স্ব জগতে সুপারস্টার। একজন অভিনয়ে নিজেকে মেলে ধরেছেন অসীম আকাশে, অপরজন সংগীতে খ্যাতি পেয়েছেন বিশ্বজোড়া। আর এই তারকা দম্পতি হচ্ছেন আলমগীর ও রুনা লায়লা। আলমগীর বললেন, ‘আমার কাছে ভালোবাসার অপর নাম বিশ্বাস। ভালোবাসা শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ তা কিন্তু নয়। ভালোবাসার পরিধি ব্যাপক। আমার দুই নাতনিকে আমি খুব ভালোবাসি। তাদের প্রতিও আমার ভালোবাসা কাজ করে।’ রুনা লায়লা বললেন, ‘ভালোবাসা মানে হলো একে অন্যের প্রতি সম্মান। একজন মানুষের প্রতি আমার সম্মান না থাকলে ভালোবাসাও জন্মায় না।’ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের দেখা হতো। এ-প্রসঙ্গে রুনা লায়লা জানালেন, আমি যেহেতু প্লেব্যাক করি, সেহেতু বিভিন্ন গানের রেকর্ডিংয়ে থাকত ও, সেখানেই সাক্ষাৎ হতো। তবে ‘শিল্পী’ চলচ্চিত্রে কাজ করতে গিয়ে ঘনিষ্ঠ হই আমরা। আর আলমগীরের ভাষ্য, ‘প্রথম দেখাতেই প্রেম কথাটা আমাদের ক্ষেত্রে ঘটেনি। তবে ভালো লাগা শুরু থেকেই ছিল। সেখান থেকেই ভালোবাসা।’ এই তারকা দম্পতির কাছে আমরা প্রশ্ন রেখেছিলাম, আপনারা এত আদর্শ জুটি হলেন কীভাবে? তার উত্তরে রুনা লায়লা বললেন, ‘আমরা দুজনেই পেশাদার জীবনটাকে আলাদা রেখেছি। সাধারণত আমরা একে অন্যের পেশাগত দিক নিয়ে নাক গলাই না। খুব প্রয়োজন হলে আলোচনা করি, পরামর্শ করি।’ আলমগীর বলেন এভাবে, ‘আমরা নিজ নিজ আইডেন্টিটি মেনে চলি। ঘরে এলে পারতপক্ষে আমরা পেশা নিয়ে আলোচনা করি না।’ 

ইনামুল হক-লাকি ইনাম
আমার কাছে প্রেম ও নিসর্গ সবসময় এক হয়ে দেখা দিয়েছে। মানুষের মাঝে যেমন প্রেম আছে তেমনি নিসর্গের মাঝেও প্রেম খেলা করে সারাবেলা। প্রকৃতির কাছ থেকেই মানুষ শিখতে পেরেছে জানতে পেরেছে ভালোবাসাকে। ভালোবাসা অর্থহীন। কোনো সমীকরণ দিয়ে ভালোবাসাকে বাঁধা যায় না। তবু ভালোবাসা শত সহস্র বছর ধরে মানুষের মনে এসেছে এবং আসবে। এমনি ভাবে ভালোবাসার সম্বন্ধে বললেন ড. ইনামুল হক। ইনামের সাথে আমার সম্পর্কের মাঝে যে বিষয়টি সবচেয়ে বড়ো ছিল তা হলো বিশ্বাস। আমি মনে করি, প্রেম বেঁচে থাকে পরস্পরের বিশ্বাসে। যে প্রেমে বিশ্বাসের ঘাটতি দেখা দেয় সেখানে হয়ত প্রেম থাকে না, থাকে সামাজিকতাকে রক্ষা। বসন্তের রঙে প্রেম সবসময়ই আরও রঙিন হয়েছে। বসন্ত কখনোই বিরহ হয়ে দেখা দেয়নি প্রেমে বরং মানবমনে বসন্ত প্রেমে পুষ্টি জুগিয়েছে আদি থেকে। প্রত্যেকটি মানুষই জীবনের কোনো না কোনো সময়ে বসন্তের রঙে প্রেমকে অনুভব করে বলে বিশ্বাস করেন লাকি ইনাম। আর এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা কি অস্থির প্রেমের প্রকাশে? এই প্রশ্নের উত্তরে ড. ইনামুল হক বলেন, ‘এখনকার ছেলেমেয়েরা যে কিছুটা অস্থির নয় প্রেম প্রকাশে তা কিন্তু না। পুরো যুগটাইতো এ প্রজন্মের কাছে অস্থিরতা নিয়ে ধরা দিয়েছে। তার মানে কিন্তু এই নয়, তাদের প্রেমের মাঝে কোনো সরলতা নেই বা নান্দনিকতা নেই। আমি বরাবরই এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদেরকে নিয়ে আশাবাদী। তাদের নিয়ে অনেক বড়ো বড়ো স্বপ্ন দেখি। তারাই বড়ো স্বপ্ন গড়তে জানে যারা প্রেমিক।’ লাকি ইনাম বলেন, ‘প্রজন্মভেদে প্রেমে পরিবর্তন কিছুটাতো হবেই। কিন্তু প্রেমের যে নির্মল আবেদন তা যেমন আমাদের সময় ছিল, এখনও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’

নাসির উদ্দিন ইউসুফ-শিমুল ইউসুফ
জীবনের আবেগগুলো অর্থহীন পঙক্তি হয় ব্যাখ্যাতীত ভালোবাসার শিরোনামে। ফাগুনের মুগ্ধ প্রহরে যে-এসে দাঁড়ায় আপন দুয়ারে, সে যেন কতদিনের চেনাজানা। প্রহরে প্রহরে অহেতুক শব্দের ব্যঞ্জনা। প্রথম ভালো লাগাটা এমনই মনে হতো নাসির উদ্দিন ইউসুফের কাছে। তারুণ্যের সেই দিনগুলোতে প্রেম ছিল জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ‘বিদায় মোনালিসা’ নাটকে কাজ করতে গিয়েই দেখা হয় শিমুলের সাথে। বন্ধুত্ব, সখ্য তারপর বিয়ে। শিমুল ইউসুফ বলেন, ‘আমি ও বাচ্চু একে অন্যকে বুঝতে পারি। এটাকে ভালোবাসা বলে কিনা জানা নেই। মুখে মুখে সবসময় ভালোবাসি ভালোবাসি বলার চেয়ে, আমার মনে হয় ভালোবাসার মানুষটাকে বুঝতে পারা অনেক বড়ো ব্যাপার। বসন্ত আর প্রেম দুই যেন একে অন্যের সাথে বসতি করে যাচ্ছে যুগ-যুগান্তর।’ নাসির উদ্দিন ইউসুফ বলেন, ‘বসন্ত কিন্তু আবার তারুণ্যের প্রতীক। আমার খুব ভালো লাগে যখন ফাল্গুনে দেখি শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে ছেলেমেয়েরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। কারণে-অকারণে আমারও মন উদাস হতো, যখন তরুণ ছিলাম।’ বর্তমান সময়ে তারুণ্যের প্রেম এবং আপনাদের সময়ে প্রেমের মাঝখানে কোনো তফাৎ খুঁজে পান কি? এমন প্রশ্নের উত্তরে শিমুল ইউসুফ বলেন, ‘যুগের পরিবর্তনের হাওয়া কিছুটাতো লাগবেই। তবে শতবছর আগে প্রেম যেমন ছিল এখনও তেমনি আছে। হয়তো প্রকাশগত বৈচিত্র্য এসেছে।’

রহমত আলী-ওয়াহিদা মল্লিক জলি


‘প্রেম আমার কাছে ব্যাখ্যাতীত। প্রেমকে সংজ্ঞায়িত করা যায় না। তবে প্রেমকে অনুধাবন করার জন্য সবার আগে প্রয়োজন সুন্দর একটি মনের। আমি তো মনে করি যে, মানুষের মন যতসুন্দর, সে মানুষের জীবনে ততপ্রেম আসে। দেখা এবং না-দেখার মাঝেও কিন্তু প্রেম বসবাস করে। শুধু যে প্রাপ্তির মাঝে প্রেমের সার্থকতা, তা কিন্তু নয়। কোনো কিছু পাওয়ার আশায় তো স্বার্থবাদী হয়ে কেউ ভালোবাসে না। ভালোবাসা স্বার্থহীন।’ এমনিভাবে প্রেমের সার্থকতার কথা বললেন ওয়াহিদা মল্লিক জলি। ‘আমার ও জলির মাঝে পরিচয় রাজশাহীতে হলেও পারস্পরিক সখ্য বাড়ে কলকাতায় পড়তে গিয়ে। প্রেম মানে পরস্পরকে বুঝতে পারা। আমি যে মানুষটিকে ভালোবাসব তাকে যদি না বুঝতে পারি, তাহলে এই প্রেমের কোনো অর্থ আছে বলে মনে হয় না। আর বিরহে কিন্তু প্রেম হারিয়ে যায় না। বরং অনেক ক্ষেত্রে বিরহের মাঝেই প্রেম বেঁচে থাকে অস্বাভাবিক রকম সুন্দর হয়ে। যে-মানুষটি না পেয়েও নিঃস্বার্থভাবে ভালোবেসে যায়, সে আমার কাছে অনেক বড়ো প্রেমিক।’ এভাবেই প্রেম সম্বন্ধে ভাবনার কথা বললেন রহমত আলী। নতুন প্রজন্মের মধ্যে ভালোবাসার প্রকাশকে কেমন ভাবে মূল্যায়ন করেন জানতে চাইলে ওয়াহিদা মল্লিক জলি বলেন, ‘এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা সব কিছুতেই খুব বেশি হিসেবনিকেশ করে। কিন্তু প্রেম তো হিসেবের উধ্বের্, তাই না? তবে ভালোবাসার  স্পর্শে এই প্রজন্মের ছেলে মেয়েরাও আন্দোলিত হয় একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।’ আর বসন্ত কি প্রেমে আসে নতুন কোনো বারতা নিয়ে এই প্রশ্নের উত্তরে রহমত আলী বলেন, ‘বসন্ত আর প্রেম তো একে অন্যের পরিপূরক। যেন দু’টি রং নতুন কোনো রং তৈরি করে। যে রং আনন্দের উচ্ছ্বাসের।’

ওমর সানী-মৌসুমী


রুপালি পর্দার একসময়ের জনপ্রিয় জুটি ওমর সানী-মৌসুমী। চলচ্চিত্রের রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে বাস্তব জীবনেও প্রেমের সূচনা হয় তাদের মাঝে। এরপর প্রণয় থেকে পরিণয়। বর্তমানে দুই ছেলেমেয়ে নিয়ে তাদের সুখের সংসার। পাশাপাশি অভিনয়ও চালিয়ে যাচ্ছেন দুজন সমানতালে। ভালেন্টাইন উপলক্ষে তারা ভক্তদের উদ্দেশ্যে জানিয়েছেন নানামজার কথা। প্রথম দেখাতেই প্রেম সম্পর্কে ওমর সানী বললেন, ‘মৌসুমীর সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয় ওর বাসাতে। আমি তখন খুবই জনপ্রিয়। একদিন পরিচালক আমাকে নিয়ে যায় ওর বাসাতে। মৌসুমী উপর থেকে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামছে, খুব ভালো লাগছিল তখন তাকে। সত্যি বলতে প্রথম দেখাতেই তাকে আমার ভালো লেগে যায়।’ মৌসুমী বললেন এভাবে, ‘আমার আগেই সানী চলচ্চিত্র অভিনয়ে আসে। ওর অনেক ছবিই আমি দেখেছি। হঠাৎ একদিন আমাদের বাসায় দেখে আমি তো অবাক! সত্যি বলতে আমি কল্পনাও করিনি  ওমর সানীর মতো একজন জনপ্রিয় নায়ক আমার বাসায় আসবে। এরপর তো আমাদের দুজনকে নিয়ে ছবি বানানো হয়। আমাদের প্রথম ছবি ‘দোলা’। ওই ছবি করতে গিয়েই আমাদের মধ্যে একটা ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর পরের কাহিনি তো সবারই জানা।’ 

শহীদুজ্জামান সেলিম-রোজী সেলিম


টিভি মিডিয়ায় তাদের অভিনয় পছন্দ করেন না, এমন দর্শক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আর এই তারকা দম্পতি হলেন শহীদুজ্জামান সেলিম-রোজী সেলিম। তারা একটি সুখী পরিবার। ভালোবাসার প্রস্তাবটা কিন্তু সেলিমই প্রথম রোজীকে করেছিলেন। ভালেন্টাইনের অনুভূতি সম্পর্কে সেলিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিদিন ভালোবাসার কথা বলা হলেও এইদিন একটু যেন অন্যরকমভাবে রোজী ভালোবাসার কথা বলা হয়। এ ছাড়াও এই বিশেষ দিনে বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাক্সক্ষীদের উইশ করি এবং পরিবারের সবাই আনন্দ করি। আর রোজী বললেন, বর্তমানে আমরা এই কালচারে অভ্যস্ত। এইদিন সবাইকে উইশ করি এবং বাচ্চাদের সাথেও শেয়ার করি। তবে আমার কাছে প্রতিদিনই ভালোবাসার দিন। সবার মনে রাখা উচিত, ভালোবাসা বলে যা শব্দ আছে, তা প্রতিদিনই ব্যবহার করা উচিত। 

তৌকীর আহমেদ-বিপাশা হায়াত


‘বিদেশি সংস্কৃতির সাথে তাল মিলিয়ে নির্দিষ্ট একদিনের জন্য প্রেমকে কখনোই উদ্যাপন বা আনুষ্ঠানিকতায় নিয়ে আসা উচিত নয়। এটা সময়ের চাহিদা হলেও আমি অনেকাংশেই তার পক্ষপাতী নই। আমাদের প্রকৃতির মাঝে যে ঋতু-বৈচিত্র্য আছে তার মাঝে কিন্তু প্রেম খেলা করে সারাবছর। পুরো বসন্তকালটাই প্রেমের। ফাগুন শুধু যে বনে বনেই আসে তা কিন্তু না, মানুষের মনেও আসে। ফাগুনের রং মানবমনের ক্যানভাসকে রঙিন করে। এ রংকে কখনোই ছুঁয়ে দেখা যায় না, শুধু অনুভব করা যায়।’ এভাবেই প্রেম আর ফাগুন সম্বন্ধে বললেন তৌকীর আহমেদ। ‘প্রেমকে যে-নামেই ডাকা হোক না কেন, প্রেম সুন্দর। এই সুন্দরের সামনে সবাই এসে দাঁড়ায়, জীবনের কোনো না কোনো সময়ে। কেউ আনন্দে আত্মহারা হয় আবার কেউবা বিরহে নীল হয়। তারপরও প্রেম আসে প্রতিটি মানুষের জানালায়।’ এমনি করে প্রেম সম্বন্ধে নিজের অভিব্যক্তির কথা বললেন বিপাশা হায়াত। আমার ও তৌকিরের মাঝে যে-বিষয়টি কাজ করেছে তা হলো পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও বিশ্বাস। তা না হলে কোনো সম্পর্ক পরিপূর্ণতা পায় না। অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে বিপাশা বলেন, ‘প্রেমে ভুল হতে পারে, থাকতে পারে বিভ্রান্তি তাতে সাময়িক অস্থিরতা তৈরি হলেও তা পরবর্তীতে প্রেমকে আরও গাঢ় করে।’ তৌকির বলেন, ‘বর্তমানে প্রেমের অভিব্যক্তিগত পরিবর্তন থাকলেও প্রেম সব সময়ই নতুন সমীকরণে হয়েছে। নতুন নতুন শিল্প সৃষ্টির জন্য দরকার প্রেম। যে প্রেম প্রকৃতির সর্বত্র বিরাজ করে।’