গার্ড অব অনারে নারী না রাখার প্রস্তাবের প্রতিবাদে মানববন্ধন

গার্ড অব অনারে নারী না রাখার প্রস্তাবের প্রতিবাদে মানববন্ধন
ছবি: সংগৃহীত
সংবিধানের ২৮নং অনুচ্ছেদে নারী-পুরুষ সমান অধিকারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাই যারা সমান অধিকারের পরিপন্থী কাজ করেছেন, তারা অসাংবিধানিক কাজ করেছেন। প্রশাসনে থাকা সব নারীরা রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনে সহিংসতার শিকার হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে যারা এ সুপারিশ দিয়েছেন, তারা আমাদের প্রশাসনকে ধর্ষণ করতে চেয়েছে। তারা নারীদের সহিংসতার শিকার করতে চেয়েছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর পর ‘গার্ড অব অনার’-এ নারী উপজেলা কর্মকর্তার (ইউএনও) বিকল্প ব্যক্তি নির্ধারণের সুপারিশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। যার প্রতিবাদে  শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে  মানববন্ধন করেন  সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি। 

 

মানববন্ধনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, 'রাষ্ট্রীয় একটি নিয়মকে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত করাটা এক ধরনের উস্কানির পাঁয়তারা। এই সুপারিশের মধ্যে তিনটি দিক আছে। সাম্প্রদায়িকতার পক্ষে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে, সংবিধানের বিরুদ্ধে। এগুলো করতে গেলে অবশ্যই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পদ্ধতির বাইরে যাবে।' 


তিনি আরো বলেন, সংবিধানের ২৮নং অনুচ্ছেদে নারী-পুরুষ সমান অধিকারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাই যারা সমান অধিকারের পরিপন্থী কাজ করেছেন, তারা অসাংবিধানিক কাজ করেছেন। প্রশাসনে থাকা সব নারীরা রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনে সহিংসতার শিকার হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে যারা এ সুপারিশ দিয়েছেন, তারা আমাদের প্রশাসনকে ধর্ষণ করতে চেয়েছে। তারা নারীদের সহিংসতার শিকার করতে চেয়েছে।


উল্লেখ্য, এর আগে এই সুপারিশ ও আপত্তির সিদ্ধান্তের প্রতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। সোমবার (১৪ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের পক্ষে অ্যাডভোকেট এএম জামিউল হক ফয়সালের সই করা এক বিবৃতি গণমাধ্যমকে দেয়া হয়।