আজ বিশ্ব মাসিক স্বাস্থ্য দিবস 

আজ বিশ্ব মাসিক স্বাস্থ্য দিবস 
আজ বিশ্ব মাসিক স্বাস্থ্য দিবস 
মাসিক বা পিরিয়ডের দিনগুলোতে প্রতিটি নারীর বিশেষ কিছু শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনও দেখা দেয়। তাই এই সময়টাতে দরকার বিশেষ কিছু সচেতনতা।  পিরিয়ডের দিনগুলোতে স্বাস্থ্যসচেতনতা মেনে না চললে দেখা দিতে পারে নানান জটিলতা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি এ বিষয়ে আমরা এখনো অনেকটাই পিছিয়ে। আমাদের পর্যাপ্ত সচেতনতা নেই বললেই চলে৷ তবে এ বিষয়ে রয়েছে আমাদের ভরপুর সংকোচ।

আজ ২৮ মে বিশ্ব মাসিক স্বাস্থ্য দিবস বা ওয়ার্ল্ড মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন ডে। ২০১৪ সাল থেকে আজকের দিনে দিবসটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হয়ে আসছে। 


মাসিক বা মেনস্ট্রুয়েশন নারীদের জন্য স্বাভাবিক একটি প্রজনন প্রক্রিয়া। যা মেয়েদের স্বাভাবিক ভাবে বেড়ে ওঠার লক্ষণ। সাধারণত ৯ থেকে ১৩ বছর বয়সে যে কোন সময় মাসিক শুরু হয় এবং ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়সে স্বাভাবিক নিয়মেই মাসিক বন্ধ হয়ে যায়। মেয়েদের প্রতি ২৪ থেকে ৩২ দিন অর্থাত্‍ গড়ে ২৮ দিন পর পর মাসিক হয় এবং তা ৩ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হয়। 


মাসিক বা পিরিয়ডের দিনগুলোতে প্রতিটি নারীর বিশেষ কিছু শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনও দেখা দেয়। তাই এই সময়টাতে দরকার বিশেষ কিছু  সচেতনতা। পিরিয়ডের দিনগুলোতে স্বাস্থ্যসচেতনতা মেনে না চললে দেখা দিতে পারে নানান জটিলতা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি এ বিষয়ে আমরা এখনো অনেকটাই পিছিয়ে। আমাদের পর্যাপ্ত সচেতনতা নেই বললেই চলে৷ তবে এ বিষয়ে রয়েছে আমাদের ভরপুর সংকোচ।   


যেমন, আমরা অনেকেই সংকোচের কারণে দোকানে গিয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন কিনতে লজ্জা পাই। তাই অনেকসময় ব্যবহার করতে হয় অস্বাস্থ্যকর কাপড়। আবার যারা নিয়মিত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করি তারা ঠিকভাবে জানি না এর ব্যবহারবিধি। তাই তৈরি হয় নানান স্বাস্থ্যঝুঁকি। এসব সমস্যার মূল কারণ আমাদের সমাজের রক্ষণশীলতা। আর মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরি করতে হলে সমাজের এসকল রক্ষণশীল দাঁড় ভেঙে এগোতে হবে সম্মিলিতভাবে। 


পিরিয়ডকালীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার দিক থেকে আমাদের দেশ এখনো অনেকটা পিছিয়ে আছে। আমাদের দেশে এখনো পিরিয়ডকে বড়সড় লজ্জার বিষয় হিসেবেই ধরা হয়।  তাই বর্তমানে জরুরি ভিত্তিতে দরকার মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি। মাসিক স্বাস্থ্য দিবসকে ঘিরে প্রতিবছর এর ন্যায় এবারও সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন সংগঠন আয়োজন করতে যাচ্ছে বিভিন্ন প্রোগ্রামের।