বাবা দিবসের ইতিহাস

বাবা দিবসের ইতিহাস
ছবি: সংগৃহীত
ইতিহাস হতে জানা যায়, ১৯০৮ সালে প্রথম বাবা দিবস উদযাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টে ৫ জুলাই এই দিবস পালন করা হয়। মিসেস গ্রেস গোল্ডেন ক্লেটনের উদ্যোগেই মা দিবসের আদলে দিবসটি পালিত হয়। ১৯০৭ সালের একটি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ২১০ জন বাবার স্মৃতির উদ্যোগে সেবারের দিবস।

বাবা মানে বিশ্বস্ততা। বাবা মানে নির্ভরতা। বাবা এমন একজন ব্যক্তি যিনি সন্তানকে আগলে রাখেন ছায়ার মত। রক্ষা করেন নানা বিপদ-আপদ থেকে। যার নিরাপত্তার চাদরটা বিশালতায় ঘেরা। আর তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও ভালোবাসা প্রকাশের জন্যই বিশ্বের নানা দেশে আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব বাবা দিবস। 


প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বাবা দিবস পালিত হয়। জুন মাসের তৃতীয় রোববার হিসেবে এ বছর ২০ জুন পালিত হচ্ছে বাবা দিবস। বাবার প্রতি শ্রদ্ধা-ভালোবাসা, জানানোর জন্যই মূলত এই দিবস।


ইতিহাস হতে জানা যায়, ১৯০৮ সালে প্রথম বাবা দিবস উদযাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টে ৫ জুলাই এই দিবস পালন করা হয়। মিসেস গ্রেস গোল্ডেন ক্লেটনের উদ্যোগেই মা দিবসের আদলে দিবসটি পালিত হয়। ১৯০৭ সালের একটি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ২১০ জন বাবার স্মৃতির উদ্যোগে সেবারের দিবস।


তবে তা নিয়মিত হয়নি। তার দুই বছর পর ১৯১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সেনোরা স্মার্ট ডট নতুন পরিসরে বাবা দিবস পালন করে। সেনোরাকেই বাবা দিবসের উদ্যোক্তা মনে করা হয়। ১৯৬৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসন জুন মাসের তৃতীয় রবিবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাবা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করেন। ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন প্রতিবছর জাতীয়ভাবে বাবা দিবস পালনের রীতি চালু করেন।


কিন্তু গোটাবিশ্ব এখন করোনায় ভয়াল থাবায় জর্জরিত৷ অনেক বাবা-ই নানা সমস্যায় প্রতিনিয়ত দুশ্চিন্তায় জীবন কাটাচ্ছেন। এই বাবা দিবসে সব বাবা যেন সুস্থ থাকেন,  ভালো থাকেন এটাই এখন প্রত্যাশা।