একসাথে ১০ সন্তানের জন্ম দিয়ে নতুন রেকর্ড

একসাথে ১০ সন্তানের জন্ম দিয়ে নতুন রেকর্ড
একসাথে ১০ সন্তানের জন্ম দিয়ে নতুন রেকর্ড
গোসিয়াম থমারা সিথোল ভেবেছিলেন তিনি আট সন্তানের জন্ম দিতে যাচ্ছেন। আলট্রাসনোগ্রামেও তাই ধরা পড়েছিল। কিন্তু সোমবার যখন তিনি একসঙ্গে ১০ সন্তানের জন্ম দেন তখন গোসিয়াম ও পরিবার হতবাক হয়ে পড়েন। গোসিয়ামের স্বামী তেভো সোসোটেসি একসাথে ১০ সন্তান পেয়ে অনেক খুশি হয়েছেন।

একই সঙ্গে ১০ সন্তানের জন্ম দিয়ে গিনেস রেকর্ড করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এক নারী। সোমবার রাতে দেশটির প্রশাসনিক রাজধানী প্রিটোরিয়ার একটি হাসপাতালে গোসিয়াম থামারা সিথোলে নামে ৩৭ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ এই নারী একসঙ্গে ১০ সন্তানের জন্ম দেন। 

 

এর মধ্যে সাতটি ছেলে ও তিনটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি। এর আগেও তিনি যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। গর্ভধারণের প্রথম দিক থেকেই প্রিটোরিয়ায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন গোসিয়াম। এদিন বিকেলে হঠাৎ ব্যথা অনুভব হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা অবস্থা বুঝতে পেরে সিজারের মাধ্যমে একে একে তার দশটি সন্তান প্রসব করান। গোসিয়াম সাত মাস সাত দিনের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। 

 

গোসিয়াম থমারা সিথোল ভেবেছিলেন তিনি আট সন্তানের জন্ম দিতে যাচ্ছেন। আলট্রাসনোগ্রামেও তাই ধরা পড়েছিল। কিন্তু সোমবার যখন তিনি একসঙ্গে ১০ সন্তানের জন্ম দেন তখন গোসিয়াম ও পরিবার হতবাক হয়ে পড়েন। গোসিয়ামের স্বামী তেভো সোসোটেসি একসাথে ১০ সন্তান পেয়ে অনেক খুশি হয়েছেন।

 

গোসিয়া গণমাধ্যমকে বলেছেন, আমি আমার গর্ভ নিয়ে হতবাক। প্রথম দিকে ডাক্তাররা যমজ সন্তান বলছিল, কিন্তু ১০ জন সন্তান কিভাবে আমার গর্ভে ৩৬ সপ্তাহ ছিল তা অকল্পনীয়। আমি অসুস্থ ছিলাম, এটা আমার জন্য কঠিন সময় ছিল। আমি কেবল ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি যেন আমার সমস্ত শিশুদের সুস্থ অবস্থায় বাঁচিয়ে রাখে। আমি এবং আমার সন্তানরা এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। আমি সকল চিকিৎসককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

 

প্রিটোরিয়া মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গাইনি বিভাগের উপ-প্রধান অধ্যাপক ডিনি মাওেলা বলেছেন, গিসোয়ানের ১০ সন্তান জন্ম দেওয়ার ঘটনা বিরল এবং সাধারণত ঈশ্বরের সহযোগিতা ছাড়া এমন ঘটনা পৃথিবীতে বিরল। মাওেলা বলেন,১০টি শিশুকে আগামী কয়েক মাস ইনকিউবেটরে রেখে ওজন ঠিক করতে হবে। কারণ বাচ্চাগুলো গর্ভাবস্থায় উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।

 

এর আগে গত মাসে এক সঙ্গে নয় সন্তান প্রসব করে বিশ্ব রেকর্ড করেছিলেন মরক্কোর মালিয়ান হালিমা সিসি।