করোনাকে জৈব অস্ত্ররূপে তৈরি করা হয় পাঁচ বছর আগেই! 

করোনাকে জৈব অস্ত্ররূপে তৈরি করা হয় পাঁচ বছর আগেই! 
করোনাকে জৈব অস্ত্ররূপে তৈরি করা হয় পাঁচ বছর আগেই! 
ইতিমধ্যেই পুরো বিশ্বজুড়ে চলছে আলোচনা -সমালোচনা।  এক মহল এ নথিকে সত্য বলে চীনের শাস্তি দাবি করছে আবার অপর এক মহল আবার এখনই পুরো বিষয়টি মানতে নারাজ। এবার গবেষকদের পূর্ণ বিশ্লেষনের পরই জানা যাবে এই নথিতে উল্লেখিত বিষয়সমূহ কতটুকু গুরুতর।

বর্তমানে করোনা আতঙ্কে  পুরো বিশ্ব জুড়েই হাহাকার।  একের পর এক মৃত্যুর মিছিল লেগেই আছে। করোনার এই প্রকোপের জন্য বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই দায়ী করছে চীনকে।  সর্বপ্রথম চীনে ধরা পরে এ ভাইরাস।  দিন যত যাচ্ছে করোনা ভাইরাস নিয়ে একের পর এক বের হচ্ছে চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ সম্প্রতি ফাঁস হওয়া এক চীনা নথি থেকে মিলেছে এমনি এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। 

সাপ্তাহিক সংবাদ পত্রিকা ‘উইকেন্ড অস্ট্রেলিয়া’-র হাতে আসে উক্ত নথিটি। ওই চিনা নথির নাম ‘দ্য আনন্যাচারাল অরিজিন অব সার্স অ্যান্ড নিউ স্পিসিস অব ম্যান-মেড ভাইরাসেস অ্যাজ জেনেটিক বায়োওয়েপন’। নথিটির তথ্য তুলে ধরে তারা বলেন, করোনা মহামারির বেশ অনেক আগে ২০১৫ সালেই পুরো পরিকল্পনা করে ফেলেছিলেন চীনের সামরিক বিজ্ঞানীরা। তাদের বক্তব্য অনুসারে  করোনাভাইরাস এক নতুন ধরনের ‘জেনেটিক অস্ত্র’, যাকে কৃত্রিম প্রক্রিয়ায় মারণ ভাইরাসে রূপান্তরিত করা সম্ভব। 


এর কারণ হিসেবে উইকেন্ড অস্ট্রলিয়ায় বলা হয়,  চীনা গবেষকরা অনুমান করেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে লড়াই হবে ‘জৈব অস্ত্র’ দিয়ে, আর সেই কারণেই  করোনাভাইরাসকে জৈব অস্ত্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছিল চীন। এ বিষয়ে ‘দ্য অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউট’-এর এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর পিটার জেনিংস বলেন, ‘‘নথি থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, করোনাভাইরাসের বিভিন্ন প্রজাতিকে কি ভাবে অস্ত্র হিসেবে কাজে লাগানো যায়, সে ব্যাপারেই গবেষণা করছিলেন চীনা গবেষকরা।’’


ফাঁস হওয়া এই  চীনা নথি আদতেও আসল নাকি নকল তা প্রমাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রবার্ট পটারকে। তার সিদ্ধান্তের পর এই নথি নিয়ে আলোচনা আরো কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তিনি জানান, ‘‘ওই চিনা নথি একেবারেই ভুয়ো নয়। কিন্তু এতে যা লেখা রয়েছে, তা গবেষকদেরই বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে, বিষয়টি কতটা গুরুতর।’’


ইতিমধ্যেই পুরো বিশ্বজুড়ে চলছে আলোচনা -সমালোচনা।  এক মহল এ নথিকে সত্য বলে চীনের শাস্তি দাবি করছে আবার অপর এক মহল আবার এখনই পুরো বিষয়টি মানতে নারাজ। এবার গবেষকদের পূর্ণ বিশ্লেষনের পরই জানা যাবে এই নথিতে উল্লেখিত বিষয়সমূহ কতটুকু গুরুতর।