রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দাবিতে কানাডায় আলোকচিত্র প্রদর্শনী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দাবিতে কানাডায় আলোকচিত্র প্রদর্শনী
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দাবিতে কানাডায় আলোকচিত্র প্রদর্শনী
১লা সেপ্টেমবর রবিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ভাষাসৈনিক শামসুল হুদা। প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন কানাডা ইমিগ্রেশন, রিফোজি ও নাগরিকত্ব মন্ত্রী আহমদ ডি হোসেইন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা রিফোজিদের মায়ানমারে প্রত্যাবাসনে কানাডিয়ান সরকার বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

 

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মায়ানমারে প্রত্যাবাসনের দাবিতে কানাডায় ফটোসাংবাদিক ফোজিত শেখ বাবুর গ্রুপ আলোকচিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শিত ছবিতে রোহিঙ্গাদের দুঃখ-দুর্দশার চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেন বাবু।
১লা সেপ্টেমবর রবিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ভাষাসৈনিক শামসুল হুদা। প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন কানাডা ইমিগ্রেশন, রিফোজি ও নাগরিকত্ব মন্ত্রী আহমদ ডি হোসেইন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা রিফোজিদের মায়ানমারে প্রত্যাবাসনে কানাডিয়ান সরকার বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। 
 
অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ভাষাসৈনিক শামসুল হুদা বলেন, বাংলাদেশের মতো একটি ক্ষুদ্র দেশের পক্ষে রোহিঙ্গাদের দায়দায়িত্ব বহন করে যাওয়া সম্ভব না। রোহিঙ্গা সংকট ক্রমেই ভয়ঙ্কর রূপধারণ করছে। এই সমস্যাটি সমাধানে বিশ্বের অন্যান্য দেশেগুলো বাংলাদেশকে সহযোগিতা করা উচিত। 
আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্যোক্তা ফোজিত শেখ বাবু বলেন, ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ যে আশ্রয় দিয়েছে এর অর্থ এই নয় যে, তাদেরকে সারাজীবন রাখতে হবে।
 
প্রদর্শনীতে ফোজিত শেখ বাবুসহ ফটোসাংবাদিক আনোয়ার হোসেন জয়, হারুনুর রশিদ, মো. সৌরভ, আবদুল্লাহ আল মোমিন, ফজলে এলাহী ওমর, রেহানা আক্তার, আবুল হোসেন ও মো. গোলাম কিবরিয়া সাইমনের আলোকচিত্র স্থান পায়।