Skip to content

২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | সোমবার | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পোশাকে বসন্তের ছোঁয়া 

শীতের বিদায়ে বসন্তের আগমন। প্রকৃতিতে এসেছে নতুন রূপ। ফাল্গুনের ছোঁয়া প্রকৃতির পাশাপাশি ছুঁয়ে যায় বাঙালির মন ও পোশাকে। আর তাই প্রকৃতির সঙ্গে দেশীয় ফ্যাশন হাউজেও আগমন ঘটেছে বসন্তের। পোশাকে এসেছে ভিন্নতা। ঋতুর সঙ্গে মিল রেখে তৈরি হয়েছে নানা রঙবেরঙের পোশাক। পোশাকগুলো যেন ফাল্গুনের বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে। 

 

বাঙালির প্রিয় উৎসবগুলোর মধ্যে বসন্ত উৎসব একটি। বসন্তকে বরণ করা নিয়ে বাঙালিদের চিন্তার শেষ নেই। আর তাই ফ্যাশন হাউসগুলোতেও এসেছে নতুন নতুন উজ্জ্বল পোশাক। বসন্তে উজ্জ্বল রঙের দিকে মানুষ বেশি ঝুঁকে। বাসন্তী রঙের শাড়ি, হাত ভর্তি চুরি, কপালে টিপ আর সঙ্গে মাথায় ফুল বহুকালের ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে।

 

প্রতিটি ফ্যাশন হাউজে ফাল্গুন উপলক্ষে এসেছে ফাল্গুন সংগ্রহ। হলুদ, বাসন্তী, সবুজ ও সোনালি রঙ সব সারিতেই আছে। মেয়েদের পাশাপাশি  ছেলেদের জন্যও রয়েছে  পাঞ্জাবি,  শার্ট ও টি-শার্ট। ছেলেদের পোশাকও বেশ রঙিন।ছেলেদের পাঞ্জাবিগুলো করা হয়েছে নানা নকশার আদলে।  বসন্ত যেন পোশাক ছুঁয়েছে। মেয়েদের জন্য রঙিন কাপড়,কুর্তি, সালোয়ার কামিজ, সিঙ্গেল কামিজ, টপস ইত্যাদি পোশাকে ভরে উঠেছে ফ্যাশন হাউজ গুলো।

 

বসন্ত ভালোবাসার এই আয়োজনে যুগল পোশাকও বেশ নজর কেড়েছে। একই রঙের, একই ডিজাইনের শাড়ি- পাঞ্জাবি, টি-শার্ট বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। যুগল পোশাকের পাশাপাশি ফ্যামিলি পোশাকেরও রয়েছে বেশ সম্ভার। বাচ্চাদের জন্য এসেছে নিত্যনতুন সব ডিজাইন – হাতা কাটা টপস, লং স্কার্ট,  পাঞ্জাবি ইত্যাদি।

 

বসন্ত পোশাকগুলিতে নানা ধরনের কাজ লক্ষণীয়। টাইডাই, স্প্রে ব্লক, চুনরি, স্ক্রিনপ্রিন্ট, কারচুপি ইত্যাদি। নারীদের শাড়িগুলোতে বেশি কাজ করা হয়েছে কারণ তারা স্বাচ্ছন্দ্য বেশ পছন্দ করেন। এছাড়া তরুণ- তরুণীদের রুচি বোধের ওপর নির্ভর করে তারা তৈরি করেছে ভিন্নধর্মী পোশাক৷ রঙিন এই উৎসবকে কেন্দ্র করে ফ্যাশন হাউসগুলোতেও এসেছে বৈচিত্র্যময় পোশাক। বৈচিত্র্য আনার জন্য ব্লক, অ্যামব্রয়ডারি, স্ক্রিন প্রিন্টের সাথে সিকোয়েন্স ব্যবহার করা হয়েছে। 

 

প্রকৃতি এখন বসন্তের রঙে রঙ্গিন। নতুন ফুলে মেতে উঠেছে চারপাশ । ফ্যাশন হাউজগুলোও ভরে উঠেছে দৃষ্টিনন্দন সব পোশাকে। বয়সের ভিন্নতায় এসেছে নানা ধরনের পোশাক। তবে পোশাক নির্বাচনে সময় ও পরিস্থিতি বুঝে নির্বাচন করুন। অবশ্যই আরামদায়ক পোশাককে প্রাধান্য বেশি দিবেন। শীতের শেষে প্রকৃতিতে মিষ্টি ফাল্গুনের হাওয়ার সঙ্গে হালকা গরমেরও ছোঁয়া থাকে। তাই এ সময় সুতি কাপড়কেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এসব বসন্তের পোশাকে।