Skip to content

২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার | ১২ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সফলতার আরেক নাম ড. মালা খান!

প্রতিটি মানুষই স্বপ্ন দেখে। কেননা, স্বপ্নই মানুষকে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে। যারা স্বপ্নকে সত্যিতে পরিণত করতে পারে তারাই সমাজে সফল হিসেবে বিবেচিত হয়। আর তারাই হয়ে ওঠেন অন্যের স্বপ্ন পূরণের অনুপ্রেরণার প্রতীক। এমন একজন সফল ব্যক্তি ড.মালা খান। যিনি বাংলাদেশে কেমিক্যাল মেট্রোলজির ওপর সফল গবেষণার মাধ্যমে সৃষ্টি করেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। 

তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণার ' ডেজিগনেটেড রেফারেন্স ইন্সটিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টস ' এর পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। মূলত বেসরকারি বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্লাসে থিসিসের কাজ করতে গিয়ে কেমিক্যাল মেট্রোলজি বিষয়ে তার আগ্রহ জন্মে। আর এখানেই গবেষণা কর্মকর্তা হিসেবে কেমিক্যাল মেট্রোলজি ওপর কাজ শুরু করেন তিনি। 

একটি ইন্টারল্যাবরেটরি কমপ্যারিজনে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্লাজমা প্লাস সর্বোচ্চ স্কোর করে। তবে, তিনি গবেষণা করতে গিয়ে পণ্যের মান নির্ণয়ে বাংলাদেশের গবেষণাগারগুলোর অবস্থা দেখে হতাশ হন। বাংলাদেশে কেমিক্যাল মেট্রোলজির অবকাঠামো না থাকায় দেশে গুঁড়া দুধে মেলামাইনের উপস্থিতি পরীক্ষার জন্য তাদের থাইল্যান্ডের একটি রেফারেন্সড ল্যাবরোটরিতে যেতে হয়েছিল। 

যদি বাংলাদেশে কেমিক্যাল মেট্রোলজির গবেষণাগার থাকতো তাহলে বিদেশে যেতে হতো না। এই বিষয়টি গভীরভাবে তাকে আলোড়িত করে৷ আর তাই ২০০৭ সালে তিনি কেমিক্যাল মেট্রোলজি অবকাঠামোর ভিত্তি প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন। বেশকিছু কাজের পর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনাধীন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের আওতায় বিজ্ঞানের নতুন শাখা কেমিক্যাল মেট্রোলজির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে তিনি এই প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

এই প্রতিষ্ঠানটি ক্যামিক্যাল মেট্রোলজি সংক্রান্ত এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান এশিয়া প্যাসিফিক মেট্টোলজি প্রোগ্রাম ও ডিআরআইসিএম এর সদস্যপদ লাভ করে। ড.মালা খান ২০১৫ সালে মেট্রোলজি সংক্রান্ত এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় শীর্ষ প্রতিষ্ঠান থেকে এপিএমপি ডেন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।