Skip to content

২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | সোমবার | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

চলে গেলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন

 

সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সোমবার দুপুর ১২টায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে রাবেয়া খাতুনের মরদেহ রাখা হবে। এরপর বিকেল ৩টায় চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে ।

 

স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমিসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন রাবেয়া খাতুন। তার প্রকাশিত শতাধিক গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে উপন্যাস, গবেষণাধর্মী রচনা, ছোটগল্প, ধর্মীয় কাহিনী, ভ্রমণকাহিনী, কিশোর উপন্যাস, স্মৃতিকথা ইত্যাদি। রেডিও, টিভিতে প্রচারিত হয়েছে তার লেখা অসংখ্য নাটক, জীবন্তিকা ও সিরিজ নাটক। তার গল্পে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র। এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবি চাষী নজরুল ইসলামের ‘মেঘের পরে মেঘ’ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া শাহজাহান চৌধুরী পরিচালিত ‘মধুমতি’ এবং মৌসুমীর ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’ ছবি দুটি প্রশংসিত হয়েছে। লেখালেখির পাশাপাশি শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতা করেছেন রাবেয়া খাতুন। তার নিজস্ব সম্পাদনায় পঞ্চাশ দশকে বের হতো ‘অঙ্গনা’ নামের একটি মাসিক পত্রিকা।

 

১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ঢাকার বিক্রমপুরে জন্মগ্রহণ করেন রাবেয়ো খাতুন। তার পৈতৃক নিবাস মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় অবস্থিত ষোলঘর গ্রামে। বাবা মৌলভী মোহাম্মদ মুল্লুক চাঁদ এবং মা হামিদা খাতুন। ১৯৫২ সালের ২৩ জুলাই সম্পাদক ও চিত্র পরিচালক এটিএম ফজলুল হকের সাথে রাবেয়া খাতুনের বিয়ে হয়। তাদের মোট চার সন্তান। তারা হলেন, ফরিদুর রেজা সাগর, কেকা ফেরদৌসী, ফরহাদুর রেজা প্রবাল ও ফারহানা কাকলী।