Skip to content

২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | শনিবার | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শীতে কেন ঘুম বেশি পায়

 

শীত চলে এসেছে আর সেই সাথে অনুভব হচ্ছে হিমহিম কনকনে ঠাণ্ডার। শীতে ঠান্ডার কারণে অনেকে শারীরিক এবং মানসিক দুইভাবেই নিজেকে ক্লান্ত অনুভব করেন। ক্লান্ত মানেই চোখে ঘুম ঘুম ভাব। ক্লান্তি ও ঘুম ভাব যেন একে অপরের সাথে অঙ্গাঙ্গিকভাবে জড়িত। 

বিশেষজ্ঞদের গবেষণা মতে, পালা ক্রমে ঋতুচক্রের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন আসে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে শীতের সময় এই বিষয়গুলো অন্যদের থেকে বেশি বেড়ে যায়। শীতের সময় ঘুম কেন বেড়ে যায়, এ ব্যপারে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট ইসেলুলাইটিং কয়েকটি কারণ জানিয়েছেন।

সূর্যের পর্যাপ্ত আলোর অভাব

শীতে দিন হয় ছোট এবং রাত হয় বড়। কিন্তু ঋতুচক্রের এমন পরিবর্তন আসলেও কাজের মধ্যে এর কোন পরিবর্তন আসে না। দিন ছোট হওয়া মানের সূর্যের আলোর ঘাটতি আর এই আলোর ঘাটতি মস্তিষ্ক থেকে মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। আর এই মেলাটোনিন হরমনের কারণে ঘুমঘুম ভাব বেড়ে যায়। এই হরমোন তৈরির যোগ সম্পর্ক রয়েছে আলো-আঁধারের সঙ্গে। তাই শীতে দিন ছোট হওয়ায় সূর্যের আলো কম পাই এবং রাত বড় হওয়ায় আমাদের শরীর তুলনামূলক ভাবে বেশি ঘুমাতে চায়। 

ভিটামিন-ডি এর অভাব 

ভিটামিন-ডি পাওয়ার অন্যতম প্রধান উৎস সূর্যের আলো। বিশেষজ্ঞরা ভিটামিন-ডি পেতে সকালের সূর্যের আলোতে যেতে বলেন। শীতকালে ঠান্ডা থাকায় প্রয়োজন ছাড়া আমরা ঘরের বাইরে বের হতে চাই না তাই আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ সূর্যের আলো না লাগায় ভিটামিন-ডি এর অভাব হতে পারে আর সেই থেকে আমাদের শরীর ক্লান্ত লাগে। 

শীতে ভিটামিন-ডি এর ঘাটতি কমাতে ডিম এবং সামুদ্রিক তেলযুক্ত মাছ, স্যামন, সারডিন, ম্যাকরেল ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। এছাড়াও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। 

ঘুমের ঘাটতির অভাব

পর্যাপ্ত পরিমাণ না ঘুমালে ঘুম বেশি পায়। দৈনিক অন্ততপক্ষে সাত থেকে আট ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন। ঘুমাতে যাওয়ার সময় ও ঘুম থেকে ওঠার সময় ঠিক রাখতে হবে এতে শরীর চাঙ্গা থাকবে।