Skip to content

২০শে আগস্ট, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | শনিবার | ৫ই ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ দলে কাজ করা বাংলাদেশি নারী

লামিয়া আশরাফ মওলা, পেশায় একজন অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। যার মাধ্যমে ১৩০০ কোটি বছর আগের রঙ্গিন ছবি প্রকাশ করে বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলে দিয়েছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। আর এ দলের একজন সদস্য বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লামিয়া।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ১ হাজার জ্যোতির্বিদ জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ প্রকল্পে কাজ করেছে। তার মধ্যে লামিয়া একজন। নাসা, ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ও কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির যৌথ উদ্যোগে মহাকাশে পাঠানো হয়েছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। এই জেমস ওয়েব প্রকল্পে কানাডিয়ান টিমের সদস্য হিসেবে ২০২০ সাল থেকে কাজ করেছেন এই নারী।

তিনি এই প্রকল্পে গ্যালাক্সিগুলোর গঠন নিরীক্ষা করার জন্য বিশ্লেষণী পাইপলাইন তৈরি করেছেন। লামিয়া শুধু বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতই নয়, তার বেড়ে ওঠাও বাংলাদেশে। ১৯৯১ সালে ঢাকায় তার জন্ম। তিনি দেশের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ও এবং এ লেভেল পাস করে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। সেখানে ওয়েলসলি কলেজ থেকে অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন পরে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন। ২০২০ সালে একজন ফেলো হিসেবে কানাডার ডানল্যাপ ইনস্টিটিউট ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে কাজ করেন তিনি।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ তৈরি করা হয়েছে দূর মহাকাশে, মহাবিশ্বের শুরুর দিকে গ্যালাক্সি সৃষ্টির সময়কে দেখার জন্য। এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও বৃহত্তম টেলিস্কোপ এটি। এই টেলিস্কোপের মাধ্যমে তোলা মহাবিশ্বের ছবি প্রকাশ করে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, বহির্বিশ্বের এখন পর্যন্ত যত ছবি তোলা হয়েছে, তার মধ্যে এটি সবচেয়ে গভীর, তীক্ষ্ণ ও পরিচ্ছন্ন ইনফ্রারেড ছবি।

ছবিগুলো প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনায় আসে। সেই সঙ্গে দেশজুড়ে আলোচনায় আসে লামিয়ার নাম। দেশের গণমাধ্যমের শিরোনামে উঠে আসে লামিয়ার নাম। একজন বাংলাদেশি নারী হিসেবে এ প্রকল্পে তার অবদান গর্বের সঙ্গে দেখছেন দেশবাসী।