Skip to content

৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | রবিবার | ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আপনি কি অল্পতেই রেগে যান?

মানুষের মধ্যে কিছু অনুভূতি রয়েছে যেমন সুখ, দুঃখ, রাগ, জেদ, অভিমান প্রভৃতি। অর্থাৎ রাগ মানুষের একটি স্বাভাবিক অনুভূতি। প্রতিটি মানুষেরই কম বেশি রাগ থাকে। অনেকে অল্পতেই রেগে যায়। তবে অতিরিক্ত রাগ মোটেও ভালো নয়। এর ফলে নিজের কিংবা অন্যের জন্য তা বেশ ক্ষতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়: মনকে যতটা সম্ভব শান্ত রাখার চেষ্টা করুন। মস্তিষ্ককে অন্যদিকে অন্যকাজে ব্যস্ত রাখুন।এটা রাগ কমাতে সাহায্যে করে। হঠাৎ করে রাগের মাথায় কোনো কথা বা কাজ করে বসবেন না, সময় নিন, প্রয়োজন হলে সেই মানুষটার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বন্ধ রাখুন অথবা রাগের কারণটি থেকে নিজের মনকে অন্যদিকে সরিয়ে নিন।

আপনি যখন শান্ত হয়ে যাবেন, আপনার রাগের কারণগুলো তার সামনে তুলে ধরুন, ততক্ষণে অপরজনের মাথাও ঠাণ্ডা হয়ে যাবে, তিনিও ভালোভাবে আপনার কথা বুঝতে পারবেন।

আপনি যখন রেগে যান তখন স্বাভাবিক ভাবেই আপনার মধ্যে নমনীয়তা কাজ করে না, তাই রেগে থাকার সময়ে কোনো কথা না বলাই ভালো। যে কোনো সমস্যারই সমাধান আছে। একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করলেই সেটা বের করা যায়। সেটাই চেষ্টা করুন। নিজেকে নিয়ে বেশি হিসাব করতে গেলে রাগ আরো বাড়বে, তাই তাৎক্ষণিক ব্যাপারটা মেনে নিলে সমস্যা অনেকটা কমে যায়।

রাগ বা টেনশন কমানোর জন্য খানিকটা হাসি ঠাট্টা করা যেতে পারে, তাতে মনটা হালকা হয়ে যায়। সবচেয়ে ভালো উপায় হল নিয়মিত মেডিটেশন। এতে শরীরের অন্য উপকারের সঙ্গে সঙ্গে রাগ নিয়ন্ত্রণও হয়। রাগ প্রশমিত হয়ে গেলে নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রতি একধরনের সহানুভূতি হয়। সেটি ধরে রাখার চেষ্টা করুন।

সহকর্মীসহ সবার প্রতি সহানুভূতিশীল হোন। ভাব বিনিময়ে স্পষ্টতা অবলম্বন করুন। নিয়মিত এক্সারসাইজ করতে পারেন। এতেও রাগের প্রবণতা কমে।

রাগ মানুষের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে। রাগহীন মানুষ পাওয়া যায় না। আবার কথায় আছে ‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন’। অর্থাৎ রাগের বশীভূত হয়ে আমরা অনেক সময় অনেক ভুল কাজ করে থাকি যা পরবর্তী সময়ে আমাদেরই ভোগান্তিতে ফেলে। এজন্য নিজের রাগ যতটা সম্ভব নিজের আওতায় রাখা উচিত।

অনন্যা/এসএএস

ডাউনলোড করুন অনন্যা অ্যাপ