Skip to content

২৮শে জুন, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার | ১৪ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পাকা আমের স্বাস্থ্য উপকারিতা

সময় টা গ্রীষ্মকাল। আর এইসময়ে আম, লিচু, কাঁঠাল, জামসহ রয়েছে নানা মৌসুমি ফল। মৌসুমি ফলের এই ঋতুতে মানুষের সবচেয়ে বেশি চাহিদার ফল হলো আম। বাজারেও দেখা মিলছে নানা জাতের আমের। আম পুষ্টিগুণে ভরপুর সেইসাথে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। পাকা আমে রয়েছে উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি, পেকটিন, আঁশ ও পটাশিয়াম। আমের এই পুষ্টিগুণগুলো শরীরের জন্য বেশ উপকারী। একটি দৈনিক পত্রিকার আলোকে আমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে নিচে দেওয়া হলো-

আম আমাদের শরীরের খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। আমে থাকা উপাদান গুলোর একটি হলো পেকটিন। এটি আঁশজাতীয় উপাদান। যা পাকস্থলীতে খাদ্য পরিপাকে ভূমিকা রাখে। এছাড়াও আমে থাকা এনজাইম খাদ্য উপাদানের প্রোটিনকে ভালোভাবে ভেঙে ফেলতে কাজ করে। ফলে খাদ্য পরিপাক দ্রুত হয়।

চোখের জন্যও আম বেশ উপকারী। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ। তাই আমের মৌসুমে প্রতিদিন একটা করে পাকা আম খেলে চোখ ভালো থাকে৷ এছাড়া ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও আম বেশ উপকারী।

পাকা আম কোলেস্টেরল মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার ভিটামিন-সি, পেকটিন ও আঁশ। যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমাতে কাজ করে। ফ্রেশ আমে থাকা পটাশিয়াম আমাদের শরীরের তরলের জন্য খুবই জরুরি একটি পুষ্টি উপাদান, যা উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে।

অ্যাসিডিটি কমাতেও আমের জুড়ি নেই। কারণ পাকা আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে টারটারিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড ও অল্প পরিমাণে সাইট্রিক অ্যাসিড। এই উপাদানগুলো অ্যালকালাইজিং এর মাধ্যমে অ্যাসিডিটির সমস্যাকে প্রশমিত করতে কাজ করে। ফলে সহজেই অ্যাসিডিটি দূর করা যায়।

ওজন কমাতেও আম বেশ উপকারী। আমে থাকা ফাইবার শরীরে পুষ্টি ও শক্তি বৃদ্ধিতে কাজ করে। ভিটামিনে ভরপুর হওয়ায় রোজকার ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে আম। সেইসাথে আমে থাকা এনজাইম উপাদানগুলো সহজে প্রোটিন উপাদান গুলোকে ভেঙে ফেলতে পারে। ফলে খাবার দ্রুত হজম হয় এবং পাকস্থলী সংক্রান্ত নানা রোগ থেকেও বাঁচা যায়।

আম নিজের পুষ্টিগুণে মানব শরীরের জন্য বেশ উপকারী। শরীর সুস্থ রাখতে মৌসুমি ফলের কোনো জুড়ি নেই।

অনন্যা/এসএএস