Skip to content

২৯শে জুন, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার | ১৫ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ঘরের সাজ বদলে মন ভালো থাকে

দীর্ঘদিন ঘর একইরকম সাজে সজ্জিত থাকলে মনের ভেতর এক ধরনের বিরক্তিভাব চলে আসে। ঘরের সাজের পরিবর্তন মানুষের মনকে দিতে পারে সতেজতা। কিন্তু কি করে ঘর সাজাবেন তাই ভাবছেন তো! চলুন তবে ঘর সাজানোর কিছু ধারণা নেওয়া যাক।

দক্ষিণের জানালার খোলা হাওয়া সকলেরই পছন্দের। সেই সঙ্গে বর্ষা মৌসুমে জানালা দিয়ে বৃষ্টি দেখার তো এক আলাদাই অনুভূতি রয়েছে সবার। তাহলে ঘরের সাজের পরিবর্তনটা জানালা দিয়েই শুরু করা যাক। জানালায় কালারফুল পর্দা লাগাতে পারেন। যেন ঘরের ঔজ্জ্বল্য বাড়ে। ।

জানালার মধ্যে টব ঝুলিয়ে দিয়ে তাতে নানান ধরনের গাছ লাগানো। মন খারাপ হলে অনেক সময় আমরা জানালার সামনে দাঁড়িয়ে থাকি। এই মন খারাপের সময়টাতে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে গাছের পরিচর্যা বা গাছের সঙ্গে কথা বলে মন ভালো করার চেষ্টা করতে পারেন। অনেকেই আছেন যারা গাছের সাথে কথা বললে তাদের মন খারাপ থাকলে ভালো হয়ে যায়।

জানালার পাশে রকিং চেয়ার রাখা। এতে করে চেয়ারে বসে বাইরের বাতাস অনুভব করা যাবে। সঙ্গে আকাশ ও প্রকৃতিকেও দেখা যাবে।

ঘরের পড়ার টেবিলের ওপর বুক শেল্ফ রাখা। পড়ার সময় যখন কোনো বই প্রয়োজন হয় আর বুক শেল্ফ দূরে থাকে, তখন টেবিল থেকে বার বার উঠে গিয়ে বই আনতে হয়। পড়ার টেবিলের ওপর বুক শেল্ফ লাগানো হলে যেকোনো বই প্রয়োজনের সঙ্গে সঙ্গেই টেবিলে বসে নেওয়া যাবে।

ঘরের পুরনো ফার্নিচারের পরিবর্তে নতুন ফার্নিচার রাখা যেতে পারে। আবার পুরনোগুলোরও জায়গা পরিবর্তন করে রাখা যায়। ঘরের এমন এক জায়গায় ফার্নিচার রাখা যেখানে সবার বসতে সুবিধা হবে ও ফার্নিচারে বসেই পুরো ঘর দেখতে পারবে।

বিছানার জায়গা পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে তা করা, নয়তো বিছানায় কালারফুল চাদর বিছানো যেন সবাই আকর্ষিত হয় এবং দেখতেও ভালো লাগে।

ঘরে থাকা সো-পিসগুলো সাজিয়ে রাখা এবং ফুলদানিতে বিভিন্ন রঙিন ফুল রাখা। বর্তমানে অনেক কৃত্রিম বা প্লাস্টিকের ফুল পাওয়া যায় যা দেখতে একেবারে আসল ফুলের মতোই সেগুলো ঘরে সাজিয়ে রাখা যায়, এতে ঘরের শোভা বাড়ে।

ঘরের দেয়ালের রঙ পরিবর্তন করা যেতে পারে। এক দেয়ালে যে রঙ ব্যবহার করা হয় তার অন্যপাশের দেয়ালে একই রঙ ব্যবহার এবং পাশের দেয়ালে অন্য রঙ ব্যবহার করা যায়। এতে ঘর দেখতে যেমন সুন্দর হবে, তেমনি মনকেও সতেজ রাখবে।

ফাঁকা দেয়ালে পেইন্টিং কালার কিংবা রঙিন কাগজ কেটে তা দিয়ে নানান ধরনের ফুল, পাখি, গাছ, পাতা এঁকে ঘরকে সাজানো যায়। এছাড়া ঘরের সুইচ বোর্ডের আশেপাশে নানানভাবে পেইন্টিং করা যায়। যেগুলো দেখতে সুন্দর হয় এবং মনকেও আকর্ষণ করে। এখন অনেক ধরনের ছোট লাইট পাওয়া যায় সেগুলো দিয়েও ঘর সাজানো যায়।

ঘর হচ্ছে প্রশান্তির জায়গা , এখানে থাকতে যেন একঘেয়েমি না মনে হয় সেজন্যই প্রয়োজনে ঘরের সাজ বদল করতে পারেন। একেবারে খুব বেশি পরিবর্তন না করলেও সামান্য কিছু পরিবর্তনও ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনকে সতেজ ও উৎফুল্ল রাখতে সাহায্য করে।

অনন্যা/জেএজে