Skip to content

২৯শে জুন, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার | ১৫ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

অতিরিক্ত ঘুম স্বাস্থ্যহানির কারণ

সবার পছন্দের জিনিস হলো ঘুম। পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া যেমন শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়, তেমনি প্রয়োজনের অতিরিক্ত ঘুমানোও স্বাস্থ্যকর নয়।

অনেকেই আছেন যাদের সকালে ঘুম কাটতে চায় না৷ তারপর সারাদিন ধরে ঘুমের ভাব কাটে না। এতে সারাদিনের কর্মস্পৃহা পাওয়া যায় না। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ৮-৯ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। এর থেকে বেশি ঘুমালেও স্বাস্থ্যহানির আশঙ্কা থাকে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ঘুমালে যেসব ঝুঁকি থাকে।

তথ্য মতে, দীর্ঘ সময়ের ঘুম বাম ভেন্ট্রিকুলারের ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে, যা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। আর একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে দীর্ঘ সময় ঘুমানোর কারণে স্ট্রোকের ঝুঁকিও ৪৬ শতাংশ বেড়ে যায়। যেসব নারীরা ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা ঘুমান তাদের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা ৩৮ শতাংশ বেড়ে যায়।

অতিরিক্ত ঘুমের কারণে ডায়াবেটিসেরও ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘ সময় ঘুমানোর ফলে শারীরিক ক্রিয়াকলাপ কম হয়ে যায় এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। যা ডায়াবেটিসের কারণ হতে পারে।

অতিরিক্ত ঘুমের কারণে মানুষের মধ্যে ডিপ্রেশনও বেড়ে যায়। দীর্ঘ সময়ের ঘুম আমাদের মেজাজকে প্রভাবিত করে। যার থেকে হতাশার সৃষ্টি হতে পারে।

লম্বা সময় ধরে ঘুমের কারণে পিঠ, ঘাড় ও কাঁধে ব্যথার উদ্ভব হয়।

এসব সমস্যা এড়াতে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত সময় ঘুমান কিন্তু তা অবশ্যই সঠিক সময়ের বেশি নয়। ঘুম ভালো কিন্তু অতিরিক্ত ঘুম ভালো নয়। তাই পর্যাপ্ত সময়ই ঘুমানোর অভ্যাস করা উচিত।