Skip to content

২২ মে, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | রবিবার | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

এবার ঈদে কোথায় যাবেন?

এবার ঈদে কোথায় যাবেন?

করোনার প্রকোপে গত দুই বছর ঈদে মানুষজন তেমন ঘুরতে পারে নি। ঘরে বসেই ঈদ কাটিয়েছেন অনেকে। দুই বছর পর এবার ঈদে সকলে পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদ কাটাতে পারবে। আর এই ঈদে ঘোরাঘুরি হবে না তা কি হয় নাকি?

পরিবারের সকলে একসাথে সময় কাটানোর মজাই আলাদা। অনুষ্ঠান ছাড়া সকলে একসাথে সময় কাটাতেও পারে না। এবার ঈদে পরিবারের সকলে মিলে কোথায় যাবেন তাই ভাবছেন তো? যারা ঢাকায় আছেন তাদের আশেপাশে ঘোরার জায়গা তো অনেক কিন্তু যাবেন টা কোথায়?

ঢাকার কেন্দ্রস্থলে রয়েছে লালবাগ কেল্লা। যা কেল্লা আওরঙ্গবাদ নামেও পরিচিত। এটি সতেরশো শতকে নির্মিত একটি অসমাপ্ত মুঘল দুর্গ স্থাপনা। ১৬৭৮ সালে মুঘল সুবাদার মুহাম্মদ আজম শাহ কর্তৃক এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তিনি ছিলেন সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র এবং পরবর্তীতে নিজেও সম্রাট পদপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তারই উত্তরসুরী মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করেন, কিন্তু শেষ করতে পারেন নি।

লালবাগ কেল্লায় রয়েছে পরী বিবির সমাধি, তিন গম্বুজওয়ালা দুর্গ মসজিদ (শাহী মসজিদ), পানির ট্যাংক।

তাই এবারের বইমেলায় পরিবারের সকলে একসাথে ঘুরে আসতে পারেন লালবাগ কেল্লা।

প্রাচীন স্থাপত্যের আরেকটি নিদর্শন হলো পানাম সিটি। ঢাকা শহর থেকে একদমই আলাদা হলো পানাম সিটি। এখানকার পুরনো বাড়িগুলো দেখেই একটা দিন পার হয়ে যাবে।

পানামনগর হলো পৃথিবীর ১০০ টি ধ্বংস প্রায় শহরের একটি। ২০০৬ সালে পানামনগরকে বিশ্বের ধ্বংস প্রায় ১০০ টি ঐতিহাসিক স্থাপনার তালিকায় প্রকাশ করেন World Monument Fund. ঈসাখাঁ-র আমলে বাংলার রাজধানী পানামনগর। এই নগরীতে রয়েছে কয়েক শতাব্দী পুরনো অনেক ভবন যা বার ভূঁইয়াদের ইতিহাসের সাথে সম্পর্কিত।

এছাড়াও ঢাকার আশেপাশে ঐতিহাসিক স্থাপনার মধ্যে রয়েছে আহসান মঞ্জিল, বালিয়াটি জমিদার বাড়ি, মহেরা জমিদার বাড়িসহ অনেক নিদর্শন। পরিবারের সকলে একসাথে ঈদে ঘুরতে পারেন ঐতিহাসিক এই নিদর্শনগুলো।

অনন্যা/এসএএস