Skip to content

১২ই মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ | রবিবার | ২৯শে বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আজ সাহিত্যিক লীলা মজুমদারের জন্মদিন

আজ ফেব্রুয়ারি ২৬, আজ ভারতীয় বাঙালি লেখিক লীলা মজুমদারের শুভ জন্মতিথি। তার জন্ম কলকাতার রায় পরিবারের গড়পাড় রোডের বাড়িতে। প্রমদারঞ্জন রায় ও সুরমাদেবীর সন্তান (বিবাহপূর্ব নাম লীলা রায়) তিনি। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (যাঁর পৈতৃক নাম ছিল কামদারঞ্জন রায়) ছিলেন প্রমদারঞ্জনের দাদা এবং লীলার জ্যাঠামশাই । সেইসূত্রে লীলা হলেন সুকুমার রায়ের খুড়তুতো বোন এবং সত্যজিৎ রায়ের পিসি।

লীলার বাল্যজীবন কাটে শিলঙে সেখানকার লরেটো কনভেন্টে তিনি পড়াশোনা করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি পরীক্ষায় তিনি সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করেন।

তাঁর প্রথম গল্প লক্ষ্মীছাড়া ১৯২২ সালে সন্দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৯৫৬ সালে তিনি কলকাতা বেতারে যোগ দেন। ১৯৭৫ সাল থেকে পাকাপাকি শান্তিনিকেতনে থাকতে শুরু করেন। ১৯৬১ সালে সত্যজিৎ রায় সন্দেশ পত্রিকা পুনর্জীবিত করলে তিনি ১৯৬৩ থেকে ১৯৯৪ অবধি সাম্মানিক সহ-সম্পাদক হিসেবে পত্রিকাটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

বুদ্ধদেব বসুর তাগিদে প্রথম বড়দের গল্প ‘সোনালি রুপালি’ লেখেন। এটি প্রকাশিত হয় ‘বৈশাখী’ পত্রিকায়। তিনি অনেক শিক্ষামূলক রচনা ও রম্যরচনা ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদও করেন।

পাকদণ্ডী নামে তার লেখা আত্মজীবনীতে তার শিলঙে ছেলেবেলা, শান্তিনিকেতন ও অল ইন্ডিয়া রেডিওর সঙ্গে তার কাজকর্ম, রায়চৌধুরী পরিবারের নানা মজার ঘটনাবলী ও বাংলা সাহিত্যের মালঞ্চে তার দীর্ঘ পরিভ্রমণের কথা বর্ণিত হয়েছে। তিনি বহু বাংলা গল্প, প্রবন্ধ ও উপন্যাস রচনা করে নানান পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। তার প্রথম আত্মজীবনী ‘আর কোনোখানে’-এর জন্য ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে রবীন্দ্র পুরস্কার পান। এছাড়া, বিদ্যাসাগর পুরস্কার,ভুবনেশ্বরী পদক,ভুবনমোহিনী দাসী,সুবর্ণ পদক,দেশিকোত্তম, ডি-লিট সহ নানা পুরস্কারে ভূষিত হন।

১৯৯৪-এ তার স্বাস্থ্যের অবনতির জন্য অবসর নেন। তার সাহিত্যিক জীবন প্রায় আট দশকের। শান্তিনিকেতনেই ২০০৭ সালের ৫ই এপ্রিল এই গুনি মানুষটির মৃত্যু হয়।

ডাউনলোড করুন অনন্যা অ্যাপ