Skip to content

১লা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | বৃহস্পতিবার | ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

স্লোভানিয়ায় প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট: লিঙ্গবৈষম্যমুক্ত বিশ্ব হোক

নাতাশা পিয়ার্স মুসার


স্লোভেনিয়া মধ্য ইউরোপের মূল ইউরোপীয় সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যপথের সংযোগস্থলে অবস্থিত। মধ্য ইউরোপের এই দেশটিতে প্রথমবারের মতো একজন নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট নাতাশা পিয়ার্স মুসার। তিনি একজন সাংবাদিক ও আইনজীবী। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি থাকাকালে তার আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন।

নাতাশা পিয়ার্স মুসার ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশটির বামপন্থী সরকারের সমর্থনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন রক্ষণশীল প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনজে লোগার। নাতাশা পিয়ার্স মুশার ৫৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। পক্ষান্তরে আনজে লোগার পেয়েছেন ৪৬ শতাংশ ভোট। প্রায় ২০ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে ভোটারের সংখ্যা ছিল ৪৯ দশমিক ৯ শতাংশ।

প্রথমবার দেশটিতে নারী প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হওয়ার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তিনি জানান, দেশবাসী এমন একজন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করেছেন যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর আস্থা রাখে। মাতৃভূমির কল্যাণের জন্য সবাইকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান। স্লোভানিয়ায় প্রথমবারের মতো নারী প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্বদরবারে নারীদের জয়লাভের সূচনাকে আরও দীর্ঘায়িত করছে। পৃথিবীর শত অবরুদ্ধ, অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়েও নারীরা তাদের লক্ষ ঠিক রেখে সামনে এগিয়ে চলছে তারই নজির বহন করেছে এই জয়।

চলতি বছরের ৫ সেপ্টেম্বর বিট্রেনের প্রধানমন্ত্রী হন লিজ ট্রাস। মাত্র ছয় সপ্তাহের মাথায় দেশটির সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলার পথে জটিলতাকে কেন্দ্র করে তিনি পদত্যাগ করেন। তবে নারীদের অগ্রযাত্রা চোখে পড়ার মতো। বৈশ্বিক টানাপড়েনে নারীদের নিজেদের অবস্থান অলঙ্কৃত করা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।

স্লোভানিয়া প্রথমবারের মতো একজন নারী প্রেসিডেন্ট পেতে যাচ্ছে। ফলে নাতাশা পিয়ার্স মুশার তার যোগ্যতা এবং দক্ষতা দিয়ে অবশ্যই দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। এছাড়া বহির্বিশ্বের নানাবিধ প্রতিকূলতা মোকাবিলায় সহোযোগীতাপূর্ণ মনোভাব নিয়ে পাশে থাকবেন। এভাবেই সমগ্র বিশ্বে একদিন নারীরা সব প্রতিবন্ধকতা রুখে নিজেদের পরিচয়ে পরিচিত হবে। এভাবে ধীরে ধীরে গড়ে উঠকু লিঙ্গবৈষম্যমুক্ত বিশ্ব।

ডাউনলোড করুন অনন্যা অ্যাপ