Skip to content

২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার | ১২ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মসলাতে কমবে ওজন

দ্রুত ওজন কমানো এখন যেন সবার জন্য জরুরি হয়ে গেছে। কেউ এখন আর ধৈর্য ধারণ করে থাকতে চায় না। সবাই চায় খুব জলদিই যেন ওজন কমানো যায়। এক্ষেত্রে অনেকে কিটো ডায়েট করছে, কেউ তো সারা দিন শুধু ফলের ওপরই থাকছে। কেউ কেউ আবার জিম করছেন দ্রুত ওজন কমানোর জন্য।

সুন্দর ও ফিট থাকতে সবাই-ই চায়। তাই সঠিকভাবে এবং কম খরচের মধ্যেই অনেকে ওজন কমাতে আগ্রহী। তাদের জন্য রয়েছে রান্নাঘরের কিছু মসলা। যা দিয়ে কিছু দিনের মধ্যেই পেয়ে যাবেন পছন্দসই ফল।

রান্নার কাজে ব্যবহৃত মসলা দিয়েই ঝরে যাবে আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদ।

দারুচিনি
দারুচিনির ব্যবহার প্রায় সব প্রকারের তরকারিতে হয়ে থাকে। এটি তরকারির স্বাদ ও তার পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে দেয়। ওজন কমাতে এই সুস্বাদু দারুচিনি বেশ উপকারী এবং সেই সঙ্গে খুব দ্রুতই ওজন কমাতে সক্ষম। তাই যারা শত চেষ্টা করেও ওজন কমাতে পারছেন না, তারা দারচিনি ফুটানো পানি পান করুন নিয়মিত। ওজন কমবে চোখের পলকেই।

পদ্ধতি
একলিটার পরিমাণ পানি নিয়ে সঙ্গে একটা বড় দারুচিনি নিয়ে অথবা (আপনি চাইলে দারুচিনির গুঁড়া ও ব্যবহার করতে পারেন) জ্বাল দিয়ে আধা লিটার করে নিন। ততক্ষণে দারুচিনি তার স্বাদ, পুষ্টি, কালার সব ছেড়ে দেবে পানিতে। পানি ঠাণ্ডা করে ছাকনি দিয়ে ছেঁকে বোতলে রেখে দিন ফ্রিজ করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এককাপ করে খাবেন এই পানি।

মেথি

মেথি
মেথি ও সাধারণত ব্যবহার করা হয়ে থাকে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রান্নার কাজে। এই মেথি চুল, ত্বক, শরীর সব কিছুর জন্য অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন রাতে আধা চা-চামচ মেথি একগ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে মেথি পানি থেকে আলাদা করে ছেঁকে নিতে হবে। পরে খালি পেটে এই মেথির পানি পান করবেন। ওজন কমতে বাধ্য হবে এই মেথি পানি পান করলে।

জিরা

রান্নার কাজে জিরা বেশ উপকারী সেই সঙ্গে শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী এই জিরা। ওজন কমাতে জিরা পানির ব্যবহার অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে। তাই যারা ওজন কমাতে চটজলদি সমাধান চান, তারা পান করুন জিরা পানি।

পদ্ধতি
রাতে আধা চা-চামচ জিরা নিয়ে একগ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। পরদিন সকালে পানি ছেকে নিয়ে খালি পেটে খেয়ে ফেলুন এই জিরা পানি।

এই ৩টি পদ্ধতিই বেশ উপকারী ও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে। তাই যারা চটজলদি ওজন কমিয়ে ফেলতে চাইছেন, তারা চাইলে এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।

অনন্যা/এসএএস