Skip to content

৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার | ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

অ্যালোপেসিয়া কী?

অস্কার মঞ্চে উপস্থাপককে চড় মেরে আলোচনার শীর্ষে উঠেছেন উইল স্মিথ। উইল স্মিথের স্ত্রী জেডা পিঙ্কেট স্মিথ অ্যালোপেসিয়া রোগে আক্রান্ত। তাঁর এই রোগ নিয়ে মস্করা করায় মঞ্চে উঠে উপস্থাপক ক্রিস রকের মুখে চড় মারেন অভিনেতা উইল স্মিথ। এর পর থেকেই গুগলে সর্বোচ্চ সার্চ হয় অ্যালোপেসিয়া নিয়ে। অ্যালোপেসিয়া আসলে কী?

অ্যালোপেসিয়া রোগের কারণে জেডা পিঙ্কেট স্মিথের মাথার সব চুল পড়ে যাচ্ছে। আর এ-কারণেই তিনি চুল ছোট রাখেন। অভিনেত্রী জেডা পিঙ্কেট ২০১৮ সালে প্রথম অ্যালোপেসিয়া রোগে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

চিকিৎসা-শাস্ত্রের ভাষায় সাধারণভাবে মাথার চুল পড়ে যাওয়াকে অ্যালোপেসিয়া বলেছেন যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা এনএইচএস।

৭০ বছর বয়সী নারীদের অন্তত ৪০ শতাংশ এ রোগে ভোগেন। এতে তাদের মাথার সামনের অংশের চুল পাতলা হয়ে যায়।

 

এনএইচএস বর্ণনা করেছে, মানুষের দৈনিক ৫০-১০০টি চুল পড়া স্বাভাবিক। দৈনিক যে হারে চুল পড়া স্বাভাবিক, তার চেয়ে বেশি চুল পড়ে গেলে এবং একই অনুপাতে নতুন চুল না গজালে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, চিকিৎসা-বিজ্ঞানের ভাষায় এটিকে অ্যালোপেসিয়া বলে।

অ্যালোপেসিয়ায় চুল পড়ার পর নতুন চুল না গজালে মাথার বিভিন্ন জায়গায় বা সম্পূর্ণভাবে টাক পড়ে যেতে পারে। বিশ্বে প্রায় ১৪ কোটিরও বেশি মানুষের অ্যালোপেসিয়া অর্থাৎ পূর্ণ অথবা আংশিক টাক রয়েছে।

 

কিভাবে বুঝবেন অ্যালোপেসিয়া হয়েছে?

 

নির্দিষ্ট একটা বয়সের পর সাধারণত মাথার চুল পড়া শুরু করে। একেক জনের চুলপড়া একেক সময় হয়। আবার চুল পড়ার ধরনও কারও বেশি, কারও কম হয়। অর্থাৎ, প্রত্যেকের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা হয়।

কিন্তু অ্যালোপেসিয়া হলে স্বাস্থ্যবান লোকের মাথা বা শরীর থেকে হঠাৎ করেই চুল পড়া শুরু করে এবং ধারাবাহিকভাবেই চুল পড়তে থাকে।

কখনো মাথার সব চুল পড়ে যায়, কখনো-বা নির্দিষ্ট জায়গার চুল পড়ে যায়।  কখনো আবার চোখের পাপড়ি ও ভুরুসহ শরীরের লোমও পড়ে যায়। যেকোনো বয়সের নারী-পুরুশ, সবাই এ রোগের শিকার হন। এমনকি শিশুরাও এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।