Skip to content

১লা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | শনিবার | ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

করোনার সময় বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগে যা যা রাখা জরুরী

২০২০ এর মার্চ মাসে বাংলাদেশে প্রথম দেখা দিয়েছিলো করোনা ভাইরাস এর প্রকোপ। যার কারণে সারা দেশে টানা ৩ মাস চলেছে কঠোর লকডাউন। এই লকডাউনে বন্ধ ছিলো দেশের সকল স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন কোচিং সেন্টার থেকে শুরু করে সকল ধরনের অফিস আদালতও। এর পর আস্তে ধীরে করোনাভাইরাস এর প্রকোপ কমে এলেও খোলা হয়ে উঠেনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পড়ে খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু স্কুল খুললেও যেহেতু এখনও করোনার প্রকোপ কমে নি, তাই যারা ছোট ক্লাসে পড়াশোনা করছে সেই সকল বাচ্চাদের ক্ষেত্রে রাখতে হবে বাড়তি যত্ন।

 

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সকল বাবা-মায়েরাই অনেক বেশি চিন্তিত থাকেন। তাই বাচ্চাদের সতর্ক থাকার ক্ষেত্রে এবং বাচ্চারা যেনো কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করে সে দিকে খেয়াল রেখে বাচ্চাদের ব্যাগে রাখতে পারেন কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র। এতে করে বাচ্চারা সতর্কতা মেনে চলবে সেই সাথে সবসময় সাবধানেও থাকবে। তবে চলুন জেনে নেয়া যাক করোনার এই সময়টাতে বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগে রাখা জরুরী এমন কিছু জিনিস সম্পর্কে – 

 

১) মাস্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস। করোনা মহামারীতে মাস্ক নিয়মিত সব সময় পড়ে থাকা জরুরী। বাচ্চাদের মাস্কটা যেনো পরিষ্কার থাকে সে দিকে খেয়াল রাখুন।  বাচ্চাদের ব্যাগে এক্সট্রা ২-৩ টি মাস্ক রাখতে পারেন। সেই সাথে বাচ্চারা যেনো কিছুতেই মুখ থেকে মাস্ক না খুলে সেটি ভালো ভাবে বুঝিয়ে বলে দিন । 

 

২) বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগে রাখুন, হ্যান্ড স্যানিটাইজার। বাচ্চাদের অবগত করুন যেনো তারা স্কুলে কোনো কিছু হাত দিয়ে ধরার পর বা ধরার আগে অবশ্যই হাত স্যানিটাইজ কিরে নেয়। এতে করে জীবাণু থেকে অনেকটা নিরাপদ থাকা সম্ভব। 

 

৩) বাচ্চাদের টিফিনের জন্য দিন ঘরের তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন, বিভিন্ন ধরনের ফ্রুটস, বাসায় তৈরি স্যান্ডউইচ, নুডলস ইত্যাদি। এতে করে বাহিরের অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকবে এবং ঘরের তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার ফলে বাচ্চারা সুস্থ ও জীবাণু থেকে নিরাপদ থাকবে। এতে করে রোগ-বালাই হওয়ার আশংকা কম থাকবে।

 

৪) মহামারীতে বাচ্চাদের পানি যতটা বেশি পান করানো যায় ততটাই ভালো। তাই বাচ্চাদের ব্যাগে রাখুন একটি পানির বোতল। সেই সাথে বাচ্চাদের বলুন বেশি বেশি পানি পান করবে তার উপকারিতা সম্পর্কে। এছাড়াও বাচ্চারা যেনো বাহিরের বা স্কুলের নরমাল পানি পান না করে সে ক্ষেত্রে সতর্ক করুন।

 

৫) বাচ্চাদের ব্যাগে রাখতে পারেন হাত, মুখ মোছার জন্য ছোট একটি পরিষ্কার কাপড় বা ছোট রুমাল।এ তে করে হাত, মুখ বার বার ধোয়ার পর বাচ্চারা অন্য কারো ব্যবহার করা কাপড় দিয়ে হাত, মুখ মোছা থেকে বিরত থাকবে।

 

৬) বাচ্চাদের ব্যাগ যতটা কম ভারি  রাখা যায় ততটাই ভালো। এক্ষেত্রে বাচ্চাদের ব্যাগ নিতে কষ্ট কম হবে। তাই রুটিন অনুযায়ী দেখে দেখে বই, খাতা, কলম, পেন্সিল, রাবার দিয়ে দিন ব্যাগে। এতে করে অতিরিক্ত কোনো কিছুই ব্যাগে রাখা হবে না। ফলে ব্যাগ ভারি হওয়ার আশংকাও থাকবে না।

 
সতর্কতা যতটা মেনে চলা যায় ততটাই নিজের এবং নিজের পরিবারের জন্য ভালো। বাচ্চারা অনেক কিছুই বুঝতে বা করতে চাইবে না। তাই তাদের আদরের সাথে, কোমল ভাবে বুঝিয়ে বলুন কেনো এটি করা উচিত বা কেনো উচিত নয়।