Skip to content

৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার | ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শুষ্ক ঠোঁটের যত্ন

মুখের সৌন্দর্যের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে ঠোঁট। গোলাপি সুন্দর কোমল ঠোঁট যে কোন নারীর সৌন্দর্যকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু রুক্ষতা ঠোঁটের সৌন্দর্যকে নষ্ট করে ফেলে। আমরা অনেকেই জানিনা সঠিক পরিচর্যা না করলে শুধু শীতকালে নয় গরম কালেও অনেকের ঠোঁট ফেটে যেতে পারে। তাহলে জেনে নেওয়া যাক ঠোঁটের রুক্ষতা দূর করার উপায় সমূহ। 

ভিটামিনের ঘাটতি হলে ঠোঁটে নানা ধরনের সমস্যা দেখা যায়। এতে ঠোঁট অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং চামড়া উঠে আসে। প্রথমে মুখ পরিষ্কার করে, ঠোঁট ভিজে থাকা অবস্থাতেই কোনও নরম কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে আলতো করে ঘষুন। এতে ঠোঁটের ত্বকের উপরিভাগে থাকা মৃত কোষ দূর হবে এবং ঠোঁট মসৃণ হবে। এরপর দুধের সর লাগিয়ে অন্তত ৪০ মিনিট অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

এছাড়াও দুধের সরে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট রয়েছে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে কিছু পরিমাণে দুধের সর লাগিয়ে নিন। সারারাত এভাবে রাখুন। পরের দিন সকালে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ৩-৪ দিন লাগাতে পারেন। এভাবে ঠোঁট ফাটা সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পেয়ে যাবেন।

 

ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করতে নারিকেল তেল খুবই উপকারী। নারিকেল তেলে আর্দ্রতা ধরে রাখার উপাদান রয়েছে, যা ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করার পাশাপাশি ঠোঁট নরম ও মসৃণ করে। এছাড়া এর অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ফাটা ঠোঁটের সমস্যার সমাধান করে।

 

মধু ঠোঁটের শুষ্কতা নিরাময়ে অনেক ভালো কাজ করে। ঠোঁটে সরাসরি মধু লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক এই উপাদান ঠোঁটের রুক্ষতা দূর করে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে ঠোঁটকে করে তুলবে কোমল ও আকর্ষণীয়।

 

ঠোঁট নরম করতে প্রতিদিন গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে গ্লিসারিন ব্যবহার করুন। সকালে পানি দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে ফেলুন। মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই আপনি নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।

 

মাঝে মাঝে রোদে পোড়া থেকেও ঠোঁট রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। তাই বাইরে যাওয়ার আগে প্রতিদিন ঠোঁটে সানস্ক্রিন-যুক্ত লিপবাম ব্যবহার করুন। লিপস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ময়েশ্চারাইজার যুক্ত লিপস্টিক ব্যবহার করুন। আশা করি এতে সমস্যা কমবে।

 

মুখের সৌন্দর্যের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে ঠোঁট। গোলাপি সুন্দর কোমল ঠোঁট যে কোন নারীর সৌন্দর্যকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু রুক্ষতা ঠোঁটের সৌন্দর্যকে নষ্ট করে ফেলে। আমরা অনেকেই জানিনা সঠিক পরিচর্যা না করলে শুধু শীতকালে নয় গরম কালেও অনেকের ঠোঁট ফেটে যেতে পারে। তাহলে জেনে নেওয়া যাক ঠোঁটের রুক্ষতা দূর করার উপায় সমূহ। 

ভিটামিনের ঘাটতি হলে ঠোঁটে নানা ধরনের সমস্যা দেখা যায়। এতে ঠোঁট অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং চামড়া উঠে আসে। প্রথমে মুখ পরিষ্কার করে, ঠোঁট ভিজে থাকা অবস্থাতেই কোনও নরম কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে আলতো করে ঘষুন। এতে ঠোঁটের ত্বকের উপরিভাগে থাকা মৃত কোষ দূর হবে এবং ঠোঁট মসৃণ হবে। এরপর দুধের সর লাগিয়ে অন্তত ৪০ মিনিট অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

এছাড়াও দুধের সরে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট রয়েছে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে কিছু পরিমাণে দুধের সর লাগিয়ে নিন। সারারাত এভাবে রাখুন। পরের দিন সকালে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ৩-৪ দিন লাগাতে পারেন। এভাবে ঠোঁট ফাটা সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পেয়ে যাবেন।

 

ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করতে নারিকেল তেল খুবই উপকারী। নারিকেল তেলে আর্দ্রতা ধরে রাখার উপাদান রয়েছে, যা ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করার পাশাপাশি ঠোঁট নরম ও মসৃণ করে। এছাড়া এর অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ফাটা ঠোঁটের সমস্যার সমাধান করে।

 

মধু ঠোঁটের শুষ্কতা নিরাময়ে অনেক ভালো কাজ করে। ঠোঁটে সরাসরি মধু লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক এই উপাদান ঠোঁটের রুক্ষতা দূর করে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে ঠোঁটকে করে তুলবে কোমল ও আকর্ষণীয়।

 

রিন ব্যবহার করুন। সকালে পানি দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে ফেলুন। মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই আপনি নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।

 

মাঝে মাঝে রোদে পোড়া থেকেও ঠোঁট রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। তাই বাইরে যাওয়ার আগে প্রতিদিন ঠোঁটে সানস্ক্রিন-যুক্ত লিপবাম ব্যবহার করুন। লিপস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ময়েশ্চারাইজার যুক্ত লিপস্টিক ব্যবহার করুন। আশা করি এতে সমস্যা কমবে।