Skip to content

৪ঠা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার | ১৯শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ফাটল ধরল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে!

মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করার জন্য বিজ্ঞানীদের মধ্যবর্তী প্লাটফর্ম হিসাবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনকে ব্যবহার করে আসছে বহু বছর ধরেই। মহাকাশযাত্রীরা এখানে মহাকাশ বিরতি ও দিয়ে থাকে তবে এক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে এই বিশাল প্লাটফর্মটিতে।

 

বিপদের মুখে পড়েছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন, বেশ কয়েকটি বড় ফাটল দেখা দিয়েছে সেখানে। তড়িঘড়ি ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ফাটলগুলি আরও বড় হতে পারে। ছড়িয়ে পড়তে পারে মহাকাশ স্টেশনের অন্যত্রও। এমনকি সেই সব জায়গার বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়তে পারে মহাকাশেই। যা মহাকাশে আবর্জনা হয়ে, বিপদ ঘটাতে পারে; বহু মহাকাশযান ও পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা অন্যান্য বহু উপগ্রহেরও।

 

রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থার দাবি, ওই সব ফাটল দিয়ে  অত্যন্ত শক্তিশালী মহাজাগতিক রশ্মি এবং ক্ষতিকর মহাজাগতিক বিকিরণ ঢুকে গেলেই বিপদ। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৭০ কিলোমিটার উপরে পৃথিবীর কাছের কক্ষপথে থাকা; মহাকাশ স্টেশনে রয়েছেন ১১ জন মহাকাশচারী। আছেন আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা; রাশিয়ার ‘রসকসমস’; জাপানের ‘জাক্সা’ ও ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (এসা)-র মহাকাশচারীরা। 

 

জানা যাচ্ছে এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে মোট ১১ জন মহাকাশচারী রয়েছেন। কয়েকদিন আগেই মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা দাবি করেছিল বর্তমানে বেশি সংখ্যক মহাকাশচারী রয়েছেন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে। ফলে তাঁদের স্থানাভাব হচ্ছে। আমেরিকা, রাশিয়া, জাপান এবং ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির মহাকাশচারীরা থাকেন এই স্টেশনে।

 

বিষয়টি নিয়ে জল্পনা কল্পনার অন্ত নেই। অনলাইন দুনিয়ায় তো এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যম এমন তথ্য দিচ্ছে যা রীতিমতো গুজব।

 

মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে উক্ত স্টেশনটিকে কেন্দ্র হিসাবে ধরা হয়। প্রতিনিয়তই উক্ত বিষটির দিকে খোজ রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।তবে এই ফাটলের সমাধান নাহ করা গেলে চূড়ান্ত মাত্রার বিপর্যয় দেখা যেতে পারে যেকোন সময়ে।