Skip to content

২রা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | রবিবার | ১৭ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের প্রথম স্থান সাইবার নিরাপত্তায়!

স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের সাইবার ব্যবস্থা প্রতিনিয়তই সুরক্ষিত হচ্ছে তীব্র ভাবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবচেয়ে প্রধান কাজ হল সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।সম্প্রতি বাংলাদেশ বিরাট এক অর্জন করে নিয়েছে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা মাঝে এমন একটি সাফল্য সকলকে অবাক করার মতো।

 

বিশ্বের ১৬০টি দেশের সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল উন্নয়ন পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তৈরি করা এ সূচকে বাংলাদেশ এবার ৩৮তম স্থানে উঠে এসেছে। গত ডিসেম্বর ২০২০ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৬৫তম।

 

এনসিএসআইয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সর্বশেষ সূচকে ৯৬.১০ স্কোর নিয়ে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় আছে গ্রিস। এরপর ৯২.২১ স্কোর নিয়ে চেক রিপাবলিক এবং ৯০.৯১ স্কোর নিয়ে এস্তোনিয়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

 

এত অল্প সময়ে বাংলাদেশের ২৭ ধাপ উন্নতি প্রসঙ্গে বাংলাদেশের সরকারের সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করা বিজিডি ই-গভ সার্ট এর প্রকল্প পরিচালক তারেক এম বরকতউল্লাহ বলেন, ‘সাইবার নিরাপত্তায় বাংলাদেশের সক্ষমতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃতি লাভ করছে। সাইবার নিরাপত্তায় বিজিডি ই-গভ সার্ট নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, এ ধরনের স্বীকৃতি আমাদেরকে সাইবার হামলা প্রতিহত করতে উৎসাহিত করবে এবং সাইবার নিরাপত্তায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।’

 

মৌলিক সাইবার হামলা প্রতিরোধের প্রস্তুতি, সাইবার ঘটনা, অপরাধ ও বড় ধরনের সঙ্কট ব্যবস্থাপনায় তৎপরতা মূল্যায়ন করে ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি ইনডেক্স- এনসিএসআই তৈরি করা হয়।

 

যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সূচকের ১৭ নম্বরে, যুক্তরাজ্য আছে ১৯ তম অবস্থানে। প্রথম ২০টি দেশের মধ্যে এশিয়ার একমাত্র প্রতিনিধি সিঙ্গাপুরের অবস্থান ১৬ নম্বরে, শ্রীলংকা ৬৯তম, পাকিস্থান ৭০তম স্থানে। জাপান আছে ৩৪তম স্থানে, চীন আছে ৮৩তম। এই অর্জনকে দেশের একটি বড় অর্জন হিসেবে গণ্য করা যায়। একটি দেশের সাইবার সুরক্ষা ব্যবস্থা যতটা উন্নতি হবে কেবল তখনেই রাষ্ট্রের নাগরিকদের বিশেষ গোপনীয়তা বজায় থাকবে।