Skip to content

২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | শনিবার | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পুষ্টিগুণে ভরপুর জামরুল

সকলের কাছেই সুপরিচিত ফল জামরুল। জামরুল কাঁচা খাওয়া যায় সেই সাথে জামরুলের জুস কিংবা সালাদেও জামরুল খাওয়া যায়। 

 

জামরুলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি, প্রোটিন,  কার্বোহাইড্রেট, ডায়াটারি ফাইবার, স্টার্চ, সুগার, চর্বি, কোলেস্টেরল, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১, বি৩, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, সালফার। 

 

জামরুলের উপকারিতা 

জামরুলে থাকা ভিটামিন সি দেহে রোগপ্রতিরোধক্ষম শ্বেতকণিকা তৈরি করে এবং ঠাণ্ডাজনিত রোগ থেকে রক্ষা করে। এছাড়া ভিটামিন সি ও ফ্লাবিনয়েড ক্যান্সার ও হৃদরোগের ক্ষেত্রে কোষের ধ্বংসকে রোধ করে। জামরুলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের দূষিত পদার্থ দূর করে দেয়। 

জামরুলে থাকে নিয়াসিন যা কোলেস্টেরল তৈরিকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তে ভালো এইচডিএল কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং খারাপ ট্রাইগ্লিসারাইড কমায়।

 

সোডিয়াম না থাকায় এবং এইচডিএলের মাত্রা বেশি থাকায় জামরুল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া জামরুলে পটাসিয়াম থাকায় পেশিকে শক্তিশালী করে এবং পেশির ব্যথা দূর করে। 

 

জামরুলে থাকা পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার খাদ্য সংবহনতন্ত্রের সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। পাকস্থলীর হজমশক্তি বাড়ায় এবং শর্করা, চর্বি ও প্রোটিন জাতীয় খাবার সহজে হজম হয়। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে। 

 

অ্যান্টিহাইপারগ্লিসেমিক নামক উপাদান জামরুলে থাকে যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

 

জামরুলের হেপাটোপ্রটেক্টিভ উপাদান লিভারের কোষ ধ্বংস থেকে রক্ষা করে লিভারের রোগ সারায়।