Skip to content

২১শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চুল থেকে হাজার কোটি টাকা আয়

ছে শুনতে? শুধু দেশের বাজারেই এ দিয়ে ব্যবসা হচ্ছে তা নয়, আসছে শতকোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। 

 

এই চুলকে কেন্দ্র করে ভারতে গড়ে উঠেছে বিশাল রপ্তানি বাজার। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে চুল রপ্তানি করে আয় হয়েছে ২৭৩৫ কোটি রুপিরও বেশি। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ তিন হাজার ১১৭ কোটি টাকা। করোনার কারণে বিশ্ব বাজারে চুলের যোগান কমায় বাজারে দাম বেড়েছে। আর তারই সুবিধা পেয়েছে ভারত। এছাড়াও ভারতীয় শুল্ক বিভাগ চুল চোরাচালানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তা বাজেয়াপ্ত করেছে , যা গত অর্থবছরে দেশের রাজকোষে বাড়তি লাভ এনে দিয়েছে। চুল রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রার একটি বিশাল অংশ আয় করেছে তারা।

 

ভারত থেকে চুল আমদানিকারকদের শীর্ষে রয়েছে চীন। দেশটি যত চুল আমদানি করে তার ৬০ শতাংশ যায় ভারত থেকে। মেয়েদের চুলের দাম ছেলেদের থেকে বহুগুণ বেশি। তবে চুলের আকার লম্বায় হতে হবে আট ইঞ্চি। এই চুলকে প্রক্রিয়াকরণের পরে তা দিয়ে যখন উইগ বা পরচুলা বানানো হয়। আইল্যাশ বা চোখের পাপড়ি তৈরিতেও ব্যাবহার করা হয় এই চুল। রূপসজ্জা শিল্পের উন্নতির কারণে চীনে এই চুলের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি ফ্যাশন দুনিয়াতেও নকল চুল লাগিয়ে সাজসজ্জার রীতিও প্রচলিত রয়েছে সে দেশ-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

 

ভারতে চুল সরবরাহের অন্যতম কেন্দ্র মন্দিরগুলো। এবার সবচেয়ে বেশি চুল সরবরাহ করেছে অন্ধ্রপ্রদেশের ভেঙ্কটেশ্বর মন্দির। চীন ছাড়াও বিনোদন জগতের প্রয়োজন মেটাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর জাপানেও উন্নত মানের চুল রপ্তানি করা হয়। নকল চুলের ব্যবহার পাকিস্তানেও ব্যাপক হারে রয়েছে। তাই সে দেশেও চুল সংক্রান্ত নানান দ্রব্য আমদানি করা হয়।

 

এই চুল রপ্তানির দৌড়ে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। বাংলাদেশও বেশ বৈদেশিক অর্থ আয় করেছে এই খাতে। দেশের বিভিন্ন পার্লার থেকে কাটা চুল প্রতি কেজি ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। এই খাত থেকে ভবিষ্যতে আয়ের বেশ উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

 

 

ডাউনলোড করুন অনন্যা অ্যাপ