Skip to content

৬ই মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ | সোমবার | ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৮০ বছর আগে কেমন ছিল আপনার এলাকা!

শিরোনাম দেখে শুরুতেই অবাক হয়েছিলেন নিশ্চয়ই। তবে অবাক হবার কিছুই নেই সম্প্রতি গুগল এমন একটি ফিচার নিয়ে আসতে যাচ্ছে। অতীত সম্পর্কে জানার কার না ইচ্ছে হয়! কিন্তু গল্প বা সিনেমার মত টাইম মেশিন বাস্তবে উপলব্ধ নেই, ফলে শখ হলেও কৌতূহল মেটে না।

 

সেক্ষেত্রে এবার, প্রযুক্তির মায়ায় এমন ফিচার হাতের মুঠোয় আসতে চলেছে যার সাহায্যে কয়েক দশক আগে পৃথিবীর চেহারা কেমন ছিল, তা জানা যাবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, Google আগামী দিনে তার অন্যতম জনপ্রিয় পরিষেবা Google Earth-এ এমন একটি ফিচার আনতে চলেছে যার মাধ্যমে প্রায় আট দশক আগে কোন একটি শহরের চেহারা কেমন ছিল, এবং সময়ের সাথে বিবর্তিত কীভাবে সেটি বর্তমান অবস্থায় এসে পৌঁছেছে সেই তথ্য অ্যাক্সেস করা যাবে। বলা হয়েছে, এই অ্যাপ্লিকেশনে টাইম ল্যাপস মোড নামে একটি অপশন থাকবে যা কোন একটি নির্দিষ্ট স্থানের বহু বছর আগের এরিয়াল ইমেজ প্রদর্শন করবে।

 

সকলের ক্ষেত্রে একটু সহজ করে দেই, Google Earth সাধারণত কোন গ্রহের স্যাটেলাইট পরিদর্শনে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে পৃথিবীর প্রত্যন্ত কিছু স্থানের ছবি এবং সেই জায়গা সম্পর্কিত সকল তথ্য বা রহস্যের সন্ধান আমরা এই Google Earth-এর মাধ্যমে পেয়ে থাকি। এছাড়াও, স্যাটেলাইট ভিউয়ের দরুন বিভিন্ন সময়ে কোন ব্যক্তির অদ্ভুত কর্মকাণ্ডের মজাদার ছবি তুলে মানুষের মনোরঞ্জনও করেছে Google Earth। তবে এবার এটি ভার্চুয়াল টাইম মেশিন হয়ে ইউজারদের অতীত সম্পর্কিত কৌতূহল মেটাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

এই মুহূর্তে ফিচারটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় একটি কোড দিয়ে হাইড করা আছে। ডেভেলপার বা কোডিংয়ে দক্ষ ব্যক্তিরাই আপাতত এটি অ্যাক্সেস করতে পারবেন। আপাতত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পরীক্ষামূলকভাবে এই নতুন ফিচার চালু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে ফিচারটির ট্রায়াল সফল হলেই বিশ্বব্যাপী ইউজারদের জন্য চালু হয়ে যাবে Google Earth-এর এই আশ্চর্যজনক ফিচার। 

 

তবে এক্সডিএ ডেভেলপারদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, Google Earth এর সাহায্যতে পাওয়া পৃথিবীর প্রতিটি স্থানের ছবির স্বচ্ছতা একরকম নাও হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সানফ্রান্সিসকোর শহরের ১৯৩০ সালের ছবিগুলি যতটা চিত্তাকর্ষক হবে, ভারত বা অন্যান্য দেশের শহরগুলির ক্ষেত্রে তেমনটা নাও হতে পারে। তথ্যটি গণমাধ্যমে আসার পর থেকে নেটিজেনদের মাঝে এক অভূতপূর্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সব স্তরের টেক বিশেষজ্ঞরাই বিষয়টিকে সাধুবাদ জানিয়েছে।

 

কালের বিবর্তনে দুনিয়া দেখবে আরো অনেককিছু। হয়তো আমরা সাক্ষী হবো নতুন অনেক প্রযুক্তির সুবিধার ব্যাপারে। যেটা নিয়ে আজ ভাবছি তা বাস্তবে রূপ নিচ্ছে কিছুদিন পরে তবে ভাবতে দোষ কি? মনের জানালা খোলা রাখুন নতুন কিছু মাথায় আসলে চট করে পরীক্ষণ করুন। অদূর ভবিষ্যতে হয়ত আপনার হাত ধরেই হয়তো দেশে গড়ে উঠবে সিলিকন ভ্যালি!

 

 

ডাউনলোড করুন অনন্যা অ্যাপ