Skip to content

২১শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নারী গৃহকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশের অনুরোধ 

বৈধভাবে ও অবৈধভাবে অনেক নারীই বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যান চাকরির খোঁজে। এর মধ্যে গৃহকর্মীর পেশাই অধিকাংশ নারী বেছে নেন। কিন্তু বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণে অনেকেই চাকরি হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েছেন। ফলে তারা দেশে অবৈধ হেয়ে পড়েছেন। এসব অবৈধ অভিবাসীরা দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য চূড়ান্ত বহির্গমনের ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু ওই ছাড়পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়াটা এত ধীরে হচ্ছে যে তাঁরা দেশে যেতে পারছে না। এ অবস্থায় তাঁদের জন্য সৌদিতে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

 

তাই সৌদি আরবে কর্মরত নারী গৃহকর্মীদের নিরাপত্তায় পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের গভর্নর প্রিন্স সউদ বিন নায়েফ আল সউদের সহায়তা চেয়েছেন দেশটির বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। মঙ্গলবার রাষ্ট্রদূত সৌদি গভর্নরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এ অনুরোধ জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। এসব নারী গৃহকর্মীদের দ্রুত ডিপোর্টেশন সেন্টার অথবা ‘সেফ হাউসে’ জায়গা করে দিলে তাঁরা বিপদের মুখোমুখি হবে না বলে রাষ্ট্রদূত মন্তব্য করেন। এছাড়াও সম্প্রতি একজন বাংলাদেশিকে মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই দেওয়া ও বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য গভর্নরের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

 

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের হাসপাতালের মর্গে যেসব অবৈধ অভিবাসীদের মৃতদেহ সংরক্ষিত রয়েছে, তাদের ফি মওকুফের জন্য রাষ্ট্রদূত গভর্নরকে অনুরোধ জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। তিনি জানান, হাসপাতালের মর্গে থাকা অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের লাশ দেশে পাঠানোর জন্য দূতাবাস সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু হাসপাতালের ফির জন্য মরদেহগুলো দেশে পাঠানো অথবা সৌদি আরবে দাফনের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হয়।

 

রাষ্ট্রদূত পাটোয়ারী বলেন, করোনাকালীন অনেক শ্রমিক সৌদি আরবে চাকুরিচ্যুত হয়ে অবৈধ হয়ে পড়েছে। এ সকল অবৈধ অভিবাসীরা দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য ফাইনাল এক্সিটের আবেদন করেছেন, কিন্তু তাদের ফাইনাল এক্সিট প্রদান ধীর গতিতে সম্পন্ন হওয়ায় তারা দেশে যেতে পারছেনা। রাষ্ট্রদূত অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য গভর্নরকে অনুরোধ জানান। পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের বিভিন্ন জেলে প্রায় ২৪৫ জন বাংলাদেশি বন্দি রয়েছে উল্লেখ করে তাদের মধ্যে কেউ গুরুতর অপরাধ না করে থাকলে তাকে ক্ষমা প্রদান করার জন্য গভর্নরকে অনুরোধ করেন তিনি।

 

সৌদির ভিশন ২০৩০ ও বাংলাদেশের ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে একটি আধুনিক শিক্ষিত জাতি গঠনে যৌথ গবেষণার প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রদূত।

 

 

 

 

ডাউনলোড করুন অনন্যা অ্যাপ