Skip to content

২১শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

তিন নেতার বৈঠকে দুইটি চেয়ার

ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রথম নারী প্রধান উরসুলা ভন ডার লেইন। গত ৬ এপ্রিল তুরস্ক সফরে গিয়েছিলেন তিনি। দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকের সময় তার জন্য কোন চেয়ার রাখা হয়নি। চেয়ার না পাওয়ায় তাকে বসতে হয়েছিল এরদোয়ান থেকে দূরে একটি সোফায়। তার চেয়ার না রাখায় সঙ্গে সঙ্গেই বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন উরসুলা। আলোচনায় উরসুলার সঙ্গে ছিলেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি চার্লস মাইকেল। তাদের সফরের উদ্দেশ্য ছিল তুরস্কের সঙ্গে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। 

 

 

সেখানে একটি হল রুমে তিনজনের বৈঠকে বসার কথা। ভিডিওতে দেখা গেছে, সেখানে চেয়ার ছিল মাত্র দুটি। আর তাতেই বসে পড়েন মিচেল ও এরদোগান। ঘরে ঢুকে তখন দাঁড়িয়ে থাকেন উরসুলা। এরপরই দুজনকে চেয়ার দখল করে বসে পড়তে দেখে কিছুটা ক্ষুব্ধ এবং ইতস্তত হন তিনি। চেয়ারে বসার ব্যবস্থা না দেখে বাধ্য হয়ে পাশের একটি বড় সোফায় বসে পড়েন উরসুলা। ইউরোপীয় এ দুই কর্মকর্তার কূটনৈতিক পদমর্যাদা সমান হলেও তাদের জন্য চেয়ার রাখা ছিল মাত্র একটি। তিনজনের মধ্যে এই বৈঠক চলে আড়াই ঘণ্টা।

 

 

চেয়ার কেলেঙ্কারির বিষয়ে ইউরোপীয় আইন প্রণেতাদের কাছে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উরসুলা। পাশাপাশি টুইটারে তিনি লিখেছেন, তুরস্কে আমার সফর চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে নারীর সমঅধিকার নিশ্চিতে আমাদের আরও কতদূর যেতে হবে। আমার এ ঘটনা নিয়ে খবর হয়েছে। কিন্তু এর চেয়ে আরও কত গুরুতর ঘটনা আছে যা নজরের বাইরে রয়ে গেছে। সেসব বৈষম্যের গল্পও আমাদের সামনে আনতে হবে।

 

 

এমন বিব্রতকর ঘটনার জন্য ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) সাবেক প্রধান মারিও দ্রাঘি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই ‘অব্যবস্থাপনা’র জন্য তুরস্ককেই দোষারোপ করেছে। মাইকেল চেয়ার পাওয়ার পরেও ভন ডার লিয়েনকে কেন দাঁড়িয়ে থাকতে হল, তা নিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বেশ কয়েকটি গ্রুপ।

 

 

 

ডাউনলোড করুন অনন্যা অ্যাপ