ফেসবুক প্রকাশ করবে মনের কথা

ফেসবুক প্রকাশ করবে মনের কথা
ফেসবুক প্রকাশ করবে মনের কথা
মস্তিষ্কের সংকেত ডিকোড করে অক্ষরে রূপান্তর করতে বানানো হচ্ছে রিস্টব্যান্ডজাতীয় একটি ডিভাইস।ডিভাইসের মাধ্যমে মানুষের ব্রেন কম্পিউটারের সঙ্গে সংযোগ পাবে! ফেসবুকের সিটিও মাইক শ্রোফার বলেছেন, ‘আমরা নতুন অভিজ্ঞতার পথ প্রশস্ত করছি, যা অতিরঞ্জিত না হলে কোটি কোটি মানুষের জীবন উন্নত হবে।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এবার কাজ করছে নিউরন থেকে সরাসরি মানুষের ভাবনা সংগ্রহ করে অক্ষরে পরিণত করতে সক্ষম প্রযুক্তি নিয়ে।মানুষের মস্তিষ্কের ভাবনা বোঝার ডিভাইস আবিষ্কার করার প্রচেষ্টা কয়েক বছর ধরেই করছে ফেসবুক।


নিউরাল সেন্সর ভিত্তিক একটি রিস্টব্যান্ড তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্রের ছোট স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠান সিটিআরএল ল্যাব-এর সঙ্গে তৈরি কাজ করছেন তারা। প্যারালাইসিস রোগীদের সাহায্য করতে পরীক্ষামূলক ভাবে মনের কথা লেখার জন্যই ফেসবুক এ ডিভাইসটি বাজারে আনতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে এক প্রতিবেদন। সূত্রটি জানিয়েছে,মস্তিষ্কের সংকেত ডিকোড করে অক্ষরে রূপান্তর করতে বানানো হচ্ছে রিস্টব্যান্ডজাতীয় একটি ডিভাইস।


ডিভাইসের মাধ্যমে মানুষের ব্রেন কম্পিউটারের সঙ্গে সংযোগ পাবে! ফেসবুকের সিটিও মাইক শ্রোফার বলেছেন, ‘আমরা নতুন অভিজ্ঞতার পথ প্রশস্ত করছি, যা অতিরঞ্জিত না হলে কোটি কোটি মানুষের জীবন উন্নত হবে।’ সূত্রটি বলছে, ফেসবুকের বার্ষিক সভায় নতুন নিউরাল সেন্সর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে ওই সভার বিস্তারিত প্রকাশ করেনি সংবাদমাধ্যমটি। শুধু বলা হয়েছে, কর্মীদের উদ্দেশ্যে পাঠানো একটি অডিও রেকর্ডে এ ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়ে জোর দেয়া হয়েছে। দ্রুত সেটি আনার চেষ্টা চলছে।


ফেসবুকের ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি-প্রধান অ্যান্ড্রু বসওয়ার্থ কয়েকমাস আগে বলছেন, আমরা দেখেছি প্রযুক্তি এবং ডিভাইস দিয়ে আরও স্বাভাবিকভাবে ভাব বিনিময় করা সম্ভব। আর সেটি আমরা তৈরি করতে চাই।
২০১৭ সালে এ ধরনের প্রযুক্তির ঘোষণা দেয়ার এক বছরের মধ্যে ব্রেন-মেশিন ইন্টারফেস গবেষণায় বিনিয়োগ করে তারা। প্রতিষ্ঠানটি বলছে,প্যারালাইসিস রোগীদের সাহায্য করতে পরীক্ষামূলক ভাবে মনের কথা লেখার প্রযুক্তি আনা হচ্ছে। মস্তিষ্কের সংকেত ডিকোড করে এভাবে অক্ষরে রূপান্তর করা হবে।


শেফিল্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক মাহনাজ আরবনেহে এ পদ্ধতিটিকে ‘নন-ইভ্যাসিভ টেকনিক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি মানুষের মস্তিষ্কের ওপর এ ধরনের ডিভাইস নিয়ে কাজ করেন। এ প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎবাহক মাথার খুলির ওপরে পৌঁছাবে; ব্রেনের ভেতরে নয়। রেকর্ড করা হবে ইলেকট্রিক্যাল অ্যাক্টিভিটি।


আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই ফেসবুকের এই নতুন প্রযুক্তিটি মানুষ ব্যবহার করতে পারবে।