মঙ্গলের যেসব জায়গা মানুষের বসবাসযোগ্য! 

মঙ্গলের যেসব জায়গা মানুষের বসবাসযোগ্য! 
মঙ্গলের যেসব জায়গা মানুষের বসবাসযোগ্য! 
মানুষের বসবাসযোগ্য হওয়ার জন্য প্রধানত দরকার পর্যাপ্ত পানির যোগান থাকা। তাই সে দিকে লক্ষ্য রেখেই নাসা তৈরি করেছে এই মানচিত্র। কিছু কিছু  এলাকায় পানির সন্ধান দিয়েছে নাসার তিনটি মহাকাশযান ‘মার্স ওডিসি’, ‘মার্স রিকনাইস্যান্স অরবিটার' ও ‘মার্স গ্লোবাল সার্ভেয়ার' (এমজিএস)। এই তিন মহাকাশযানের পাঠানো তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই মানচিত্র তৈরি করেছে নাসা। 

পৃথিবীর প্রতিবেশী গ্রহ 'মঙ্গল'। এ গ্রহটিকে নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই।  পৃথিবীর পাঠ চুকিয়ে এবার মানুষের ইচ্ছে মঙ্গলে বসবাসের৷  সম্প্রতি মার্স ওয়ানের মঙ্গল যাত্রায় আগ্রহী মানুষের সংখ্যা পৌঁছেছে  ১ লাখে। উঠেপড়ে লেগেছে নাসাও । জানিয়েছে মঙ্গলের কোন কোন স্থানগুলোতে বাড়ি তৈরি করা যাবে।  


মঙ্গলগ্রহের কোন কোন জায়গায় ভবিষ্যতে ঘর-বাড়ি তৈরি করে থাকা যাবে প্রথমবারের মতো তা জানিয়েছে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা। এরই মধ্যে নাসা বসবাসের জায়গাগুলো নিয়ে তৈরি করে ফেলেছে একটি মানচিত্রও।  নেচার অ্যাস্ট্রোনমি নামের একটি বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নালে নাসার প্রকাশিত মানচিত্রটি তুলে ধরা হয়েছে। 


যেহেতু মানুষের বসবাসযোগ্য হওয়ার জন্য প্রধানত দরকার পর্যাপ্ত পানির যোগান থাকা। তাই সে দিকে লক্ষ্য রেখেই নাসা তৈরি করেছে এই মানচিত্র। কিছু কিছু  এলাকায় পানির সন্ধান দিয়েছে নাসার তিনটি মহাকাশযান ‘মার্স ওডিসি’, ‘মার্স রিকনাইস্যান্স অরবিটার' ও ‘মার্স গ্লোবাল সার্ভেয়ার' (এমজিএস)। এই তিন মহাকাশযানের পাঠানো তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই মানচিত্র তৈরি করেছে নাসা। 


গ্রহটির  উত্তর গোলার্ধের মেরু এলাকাগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি রয়েছে বলে জানিয়েছে নাসা। ওইসব এলাকায় পানি ভূপৃষ্ঠের অনেকটা কাছাকাছি। ফলে সহজে সেই পানি তুলে আনা যাবে। আর সেই সব এলাকায় পানি রয়েছে বরফ আকারে। 


আবার মঙ্গলের উত্তর মেরুর বিস্তীর্ণ এলাকায়ও পানির সন্ধান পেয়েছে নাসা। সে পানি দিয়ে নাকি সম্ভব  চাষবাস করাও। আবার সেই পানি থেকে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাস বের করে রকেটের জ্বালানি হিসেবেও কাজে লাগানো যেতে পারে এমনটাই দাবি নাসার৷ নাসা আরো জানিয়েছে, বহু এলাকায় তাপমাত্রার তারতম্যের জন্য পানি মাটির উপরেও বেরিয়ে এসেছে।