চুল কোঁকড়া? যত্নেই মিলবে স্বস্তি

চুল কোঁকড়া? যত্নেই মিলবে স্বস্তি
সংগৃহীত
পাতলা নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন কোঁকড়া চুলে। মাথার ত্বকে তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন।

কোঁকড়া চুল নিয়ে অনেকেই থাকেন কিছুটা উদ্বিগ্নে। সাজগোজে যেমন এদের  সামাল দেয়া বেশ ঝক্কির কাজ,তেমনি মানানসই করা তোলাও কিছুটা দুশ্চিন্তার। অনেকেই এমন হীনমন্যতায় ভোগেন,  ইস চুল গুলো আরেকটু সুন্দর হলে বেশ হত। তবে নিয়মিত যত্নের ফলে কোঁকড়া চুলও হতে পারে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও সুন্দর। সেক্ষেত্রে যা করণীয় :

 

 

শ্যাম্পু বাছাই: অ্যালকোহল, সালফেট এবং প্যারাবিনের মতো কেমিক্যাল উপাদানমুক্ত মিল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুঁতে হবে। অন্যথায় এগুলো মাথার ত্বক চুলকাবে।

 

শ্যাম্পু পূর্ববর্তী যত্ন: কোঁকড়া চুলের ক্ষেত্রে চুলে হেয়ার মাস্ক অথবা কন্ডিশনিং অয়েল ব্যবহার করুন শুকনো চুলে। কন্ডিশনার ব্যবহারের পর ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন।

 

ব্রাশ চিরুনি ব্যবহার না করা: চুলে ব্রাশ ব্যবহারের পরিবর্তে মোটা দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন। শ্যাম্পু করার আগে অবশ্যই চুল আচড়ে নেবেন। চুল ধোঁয়ার পর আঙুল দিয়ে চুলগুলো আলগা করুন।

 

চুলে হিট দেওয়া: মাঝারি তাপমাত্রায় চুলে হিট দিতে পারেন। তবে অবশ্যই ভালোমানের আয়রন মেশিন দিয়ে মাঝে মাঝে চুলে হিট দেওয়া ভালো।

 

ঠান্ডা পানিতে চুল ধোয়া: গরম পানিতে চুল ধুলে মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ও সিরাম দূর হয়। তাই চুলে শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।

 

চুল ছাঁটানো: ৬-৮ সপ্তাহ পর পর চুলের আগা কাটতে হবে। এতে চুলের ভঙ্গুরতা কমে। কোঁকড়া চুল স্বাস্থ্যোজ্বল হলে ভালো দেখায়।

 

প্রাকৃতিক উপাদানে যত্ন:  ডিম, অলিভ অয়েল, ভিনেগার এবং মেয়নিজ দিয়ে হেয়ার মাস্ক তৈরি করে চুলে ব্যবহার করুন। ৩০ মিনিট পর মিল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

 

তেল ম্যাসাজ: পাতলা নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন কোঁকড়া চুলে। মাথার ত্বকে তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন।