গুণে মানে অনন্য পেয়ারার জুস

গুণে মানে অনন্য পেয়ারার জুস
গুণে মানে অনন্য পেয়ারার জুস
প্রথমে পেয়ারা কেটে ভেতরের বীজ টি ফেলে দিন। ছোট টুকরো করে একটি বোলে নিয়ে চিনি নিয়ে মাখিয়ে ৪/৫ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন।

পেয়ারা একটি পুষ্টিসমৃদ্ধ ফল। এর রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা।এতে আছে নানারকম ভিটামিন যেমন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ‘সি’ ও লাইকোপেন—যা স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারি। পেয়ারার বিশেষ পাঁচটি গুণের মধ্যে রয়েছে, এটি ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, চোখের জন্য ভালো, পেটের জন্য উপকারী আর ক্যানসার প্রতিরোধী। তাই সুস্থ থাকতে পেয়ারা খাওয়ার জুরি নেই। সেক্ষেত্রে পেয়ারার জুসও করতে পারেন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কিভাবে বানাবেন পেয়ারার জুস-

 

 

উপকরণ


১। কাজী পেয়ারা- ২ টি
২। চিনি- ১.১৫ কাপ
৩। পুদিনা পাতা- ১ মুঠো
৪। ১ টি লেবুর রস 
৫। মধু- ১ টেবিল চামচ
৬। ঠাণ্ডা পানি - পরিমাণগত
৭। আইস কিউব- ইচ্ছানুযায়ী
৮। লবণ - স্বাদমত
৯। কাঁচামরিচ- ১ টি (যতটুকু ঝাল চান)

 

 

প্রণালী


প্রথমে পেয়ারা কেটে ভেতরের বীজ টি ফেলে দিন। ছোট টুকরো করে একটি বোলে নিয়ে চিনি নিয়ে মাখিয়ে ৪/৫ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। ১ ঘণ্টা পর পর চামচ দিয়ে নেড়ে দিন।

 

এবার তাতে লেবুর রস, কাঁচামরিচ, মধু ও পুদিনা পাতা মেশান ভালো করে। এরপর ব্লেন্ডারে নিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন পানি ছাড়া। ব্লেন্ডেডেড মিক্সচারটিকে ছেঁকে একটি বোলে রসটি নিন। খুব ঘন হবে এটি, যা আপনি চাইলে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারবেন।

 

এবার জুস বানানোর পালা। একটি ছোট গ্লাসে ২ টি আইস কিউব ও ২-৩ টে.চা. এই ঘন রসটি নিয়ে তাতে ঠাণ্ডা পানি ঢেলে ভালো করে মেশান।  এর সাথে সামান্য জিরা গুঁড়া বা মরিচের গুড়াও মেশাতে পারেন স্বাদ বর্ধনের জন্য। এবার গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন পুষ্টিগুণে অনন্য পেয়ারার জুস।