রান্নাঘরের সাজসজ্জা হোক আকর্ষণীয়

রান্নাঘরের সাজসজ্জা হোক আকর্ষণীয়
রান্নাঘরের সাজসজ্জা হোক আকর্ষণীয়
রান্নাঘরকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে ভিন্ন ডিজাইনের ডিনারসেট কিনুন৷ এক্ষেত্রে দেয়ালের রঙের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেও ডিনার সেট রাখতে পারেন। 

ঘরকে সুন্দর করে সাজাতে কে না চায়। হোক সেটা শয়ন কক্ষ বা রান্নাঘর। সাজসজ্জা মনমতো হলে ঘরে কাটানো সময়ও হয় সুন্দর। আর রান্না প্রতিটি মানুষের জীবনে একটি শখের অংশ৷ এটি একটি শিল্প, আর রান্নাঘর আক্ষরিক অর্থেই বাসার উষ্ণতম জায়গা। তাই রান্নাঘরকে সাজাতে প্রয়োজন সৃজনশীলতা। খুব বেশি জিনিস বা সাজসজ্জা রান্নাঘরের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। তবে চলুন আজ জানবো কেমন হওয়া উচিত রান্নাঘরের সাজসজ্জা -


আসবাবপত্র নির্বাচন- রান্নাঘরের আসবাবপত্র নির্বাচনে মনোযোগী হতে হবে। কারণ অনেক বেশি আসবাবপত্র কাজের পরিবেশ নষ্ট করে। তাই ছোট-খাটো জিনিসপত্র রাখার উপযুক্ত আসবাবপত্র বাছাই করুন৷ এতে যথেষ্ট জায়গা পাওয়ার পাশাপাশি রান্নাঘর দেখতেও দারুণ লাগবে। 


ভিন্ন ডিজাইনের ডিনারসেট- রান্নাঘরকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে ভিন্ন ডিজাইনের ডিনারসেট কিনুন৷ এক্ষেত্রে দেয়ালের রঙের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেও ডিনার সেট রাখতে পারেন। 


দেয়ালের রঙ- রান্নাঘরের দেয়ালের রঙ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এক্ষেত্রে আপনি আপনার পছন্দমত রঙ করতে পারেন। তবে হালকা রঙ ক্লান্তি ভুলাতে সহায়ক। অনেকেই গাঢ় রঙ পছন্দ করেন না। তবে লাল বা হলুদ এমন গাঢ় রঙ সহজেই সবার নজর কাড়ে এবং মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারে। তাই এ ধরনের রঙও নির্বাচন করতে পারেন।


ভিন্নধর্মী বাটি ও চামচের ব্যবহার- রান্নাঘরের বহুল ব্যবহৃত জিনিসপত্র হল বাটি ও চামচ। সবার আগে নজরে আসে এই জিনিসগুলোই। তাই এসব জিনিস হওয়া চাই ভিন্নধর্মী। বিচিত্র জিনিসপত্রে রান্নাঘর হবে আরো দৃষ্টিনন্দন।


শো-পিস ও ফুলের টব- রান্নাঘরে খালি জায়গায় বা ঢুকতেই চোখে পরে এমন স্থানে শো-পিস রাখতে পারেন। এছাড়াও ঘরে ঢুকতে দরজার পাশে ফুলের টব রাখুন। এতে রান্নাঘরের সৌন্দর্য কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।