অন্দর সাজুক ছাতায়

অন্দর সাজুক ছাতায়
অন্দর সাজুক ছাতায়
সাধারণত এই গাছে সার দেওয়ার তেমন প্রয়োজন হয় না। তবে গাছের স্বাস্থ্য বৃদ্ধির জন্য মাঝেমাঝে লিকুইড সার দেওয়া যেতে পারে। এই গাছ নানা ধরনের হয়। ঘন সবুজ পাতার গঠনটিও খুব সুন্দর। গোড়ার দিকটি সরু, মাথার দিকটি চওড়া ও গোল।

আমব্রেলা ট্রি। আপনার বাগানের বা অন্দরের সৌন্দর্য বর্ধনে একাই একশো। আমব্রেলা ট্রি- অক্টোপাস ট্রি নামেও পরিচিত। অন্দর সাজে এই গাছের বেশ সুনাম রয়েছে। খুব একটা ঝামেলা নেই এই গাছের লালন পালনে। বারান্দায় টবে যদি লাগাতে চান এই গাছ, তাহলে রোদ পায় এমন জায়গাতেই রাখুন। তবে অনেকক্ষণ, খুব কড়া রোদের দরকার নেই এই গাছের। সবচেয়ে ভাল থাকে পরোক্ষ আলোতে। পানির ব্যাপারে এই গাছ বড়ই স্পর্শকাতর। টবে ভালভাবে পানি বেরোনোর ব্যবস্থা যেন থাকে। মাটিও তেমন ভাবেই নির্বাচন করতে হবে, যেখানে পানি দাঁড়ায় না। অতিরিক্ত পানিতে সহজেই গোড়া পচে যায় এই গাছের। টবের মাটি একেবারে শুকিয়ে গেলে তবেই পানি দিতে হবে। দু’তিনদিন পরপর পানি দেওয়া যথেষ্ট।

 

সাধারণত এই গাছে সার দেওয়ার তেমন প্রয়োজন হয় না। তবে গাছের স্বাস্থ্য বৃদ্ধির জন্য মাঝেমাঝে লিকুইড সার দেওয়া যেতে পারে। এই গাছ নানা ধরনের হয়। ঘন সবুজ পাতার গঠনটিও খুব সুন্দর। গোড়ার দিকটি সরু, মাথার দিকটি চওড়া ও গোল। তাই মনে হয় এমন নাম। আবার এই গাছেরই আরেকটি ধরন আছে যেখানে সবুজের ওপর ঘিয়ে বা সোনালি রঙা সূক্ষ্ম দাগ দেখা যায়। আরেক ধরনের আমব্রেলা ট্রি হয়, যা দৈর্ঘ্যে কম। একে ডোয়ার্ফ ভ্যারাইটি বলা হয়। বনসাই ধরনের। এই গাছ বাড়ে তড়িৎগতিতে। তাই তার গঠনগত সৌন্দর্য বজায় রাখতে চাইলে সময়মত নিয়ম করে ছাঁটতে হবে গাছের ডগা ও ডালপালা। গাছ ছাটার জন্য ভাল কাঁচি ব্যবহার করবেন। প্রথমে মাঝারি মাপের টবেই এই গাছ লাগালে ভাল হবে। পরে প্রয়োজন মতো টব পালটালেই চলবে। ভেজা মাটিতে টব পালটাবেন না। শুকনো মাটিতে টব পালটে তারপর ভাল করে পানি দেবেন। 

 

বীজ বা কাটিং থেকে এই গাছ করা যেতে পারে। কাটিং থেকে করতে হলে খুব ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে লাগাতে হবে। আর্দ্রতা খুব প্রয়োজন এই সময়ে। তাই প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে ভিজে ভাব বজায় রাখা যেতে পারে। যেহেতু এই গাছের সৌন্দর্য পাতার বাহারে, তাই পাতার পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিতে হবে। ধুলাবালি সমেত পাতা দেখতে কারই বা ভাল লাগে! তাই গাছের পাতায় পানির ছিটেফোঁটা দেওয়া জরুরি। আর গাছের গোড়া যদি ভেজা থাকে, তাহলে ভেজা কাপড় দিয়ে বা স্পঞ্জ দিয়ে পাতা মুছে নিলেই হবে। ছাতা গাছের পাতার বাহারে আপনার অন্দরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি হোক।