সুনামগঞ্জে প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যান

সুনামগঞ্জে প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যান
ছবি: সংগৃহীত
পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে (ইউপি) সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় উত্তর রাজাপুর ইউনিয়নে জেলার প্রথম নির্বাচিত নারী চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন নাসরিন সুলতানা দীপা। তিনি ১২শ’ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার (৫ জানুয়ারি) রাতে উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করেছেন।

একটা সময় ছিল যখন নারীরা ঘরের বাইরে বের হতে গিয়েও অনেক বাধার সম্মুখীন হতো। কিন্তু বর্তমানে নারীরা সব দিক দিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে। ঘরের পাশাপাশি বাইরের কাজও অনায়াসে করতে পারে তারা। এরই ধারাবাহিকতায় ইউপি নির্বাচনেও পিছিয়ে নেই নারীরা। 

 

পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে (ইউপি) সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় উত্তর রাজাপুর ইউনিয়নে জেলার প্রথম নির্বাচিত নারী চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন নাসরিন সুলতানা দীপা। তিনি ১২শ’ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার (৫ জানুয়ারি) রাতে উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করেছেন। সুনামগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

দীপা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করেছেন। তার বাড়ি ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় উত্তর রাজাপুর ইউনিয়নের দিগজান গ্রামে। তার বাবা মরহুম গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, নানা মরহুম মনির উদ্দিন চৌধুরীও একই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। 

 

নাসরিন সুলতানা দীপা সুনামগঞ্জ মহিলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক। সেইসাথে তিনি সুনামগঞ্জ ওমেনস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক, ধর্মপাশা উন্নয়ন ফোরামের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, সুনামগঞ্জ শহরের অত্যাধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফারিহা একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা। দীপার স্বামী আসাদুজ্জামান সেন্টু সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালকও।

 

জয়ী হওয়ার অনুভূতি  জানিয়ে নাসরিন সুলতানা দীপা বলেন, আমার মরহুম বাবা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ও মরহুম নানা মনির উদ্দিন চৌধুরী দীর্ঘদিন এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। তারা যেভাবে এই এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন; তাদের উত্তরাধিকারী হিসেবে কথা দিচ্ছি, আমিও এই এলাকার মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকবো। আমি এই এলাকার সন্তান, তাই এলাকার উন্নয়নে আজীবন কাজ করবো। আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ।