কুয়েতি সেনাবাহিনীতে নারী

কুয়েতি সেনাবাহিনীতে নারী
ছবিঃ সংগৃহীত
কুয়েতের সেনাবাহিনীতে প্রথমবারের মতো নারীদের অংশগ্রহণের অনুমতি দিয়েছে কুয়েতি কর্তৃপক্ষ, জানিয়েছে কুয়েতি সেনাবাহিনী সংবাদটি দ্যা সিয়াসাত ডেইলি প্রকাশ করেছে।

একটা সময় ছিল যখন নারীরা ঘরের বাইরে পা দিতে পারতো না। বিশেষ করে মুসলিম রাষ্ট্র গুলোতে ছিল নারীদের উপর কড়া বিধিনিষেধ। নারীরা পর্দা প্রথার আওতায় থাকলেও ঘরের বাইরে বের হওয়ার কোনো সুযোগ তাদের ছিল না। সেখান থেকে বর্তমান সময়ে নারীদের পুরুষদের পাশাপাশি চলাচল এবং তাদের সাথে কাজ করার সুযোগ হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় কুয়েতে নারীরা অংশগ্রহণ করছে সেনাবাহিনীতে।


কুয়েতের সেনাবাহিনীতে প্রথমবারের মতো নারীদের অংশগ্রহণের অনুমতি দিয়েছে কুয়েতি কর্তৃপক্ষ, জানিয়েছে কুয়েতি সেনাবাহিনী সংবাদটি দ্যা সিয়াসাত ডেইলি প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার কুয়েতের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হামাদ জাবের আল-আলি আল-সাবাহ তার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কুয়েতি নারীদের সেনাবাহিনীতে অংশগ্রহণের বিষয়ে দেশটিতে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল তা তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কুয়েতি নারীরা এখন থেকে কুয়েত সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে নিবন্ধন করতে পারবেন। সামরিক বাহিনীর মেডিকেল ও অন্যান্য সামরিক সহায়তা বিভাগের প্রাথমিক স্তরে বর্তমানে যে সকল কুয়েতি নারী সেনাবাহিনীতে অংশ নিবেন তারা কাজ করবেন।


কুয়েতি নারীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের সক্ষমতার স্বাক্ষর রেখেছেন এবং এরই ধারাবাহিকতায় কুয়েতি নারীদেরকে পুরুষদের সাথে সেনাবাহিনীতে কাজ করতে দেয়া হচ্ছে বলেন শেখ হামাদ জাবের আল-আলি আল-সাবাহ। তিনি বলেন, তার বিশ্বাস আছে যে কুয়েতি নারীরা সেনাবাহিনীর কঠোর পরিশ্রমের ধকল সামলাতে পারবেন।


কুয়েতি নারীদেরকে ২০০৫ সাল থেকেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধিকার দেয়া হচ্ছে। কুয়েতি নারীদের ভোটাধিকার দেয়া হয় ঐ সময়। এছাড়া এমপি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সরকার পরিচালনায় অংশ নেয়ার সুযোগও দেয়া হয়। চার বছর পরে দেখা যায় যে ৫০ আসনের কুয়েতি পার্লামেন্টের চারটি আসন পেয়েছেন নারীরা। কুয়েতি নারীদের ২০০৮ সালে পুলিশ বাহিনীতে অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। বর্তমানে এ বছরের মে মাসের পর সাত নারী বিচারপতি নিয়োগের ফলে দেখা গেছে যে বর্তমানে কুয়েতে মোট নারী বিচারপতির সংখ্যা ১৫।