নারী ফুটবলারদের ঘাঁটি কলসিন্দুর! 

নারী ফুটবলারদের ঘাঁটি কলসিন্দুর! 
ছবিঃ সংগৃহীত
ময়মনসিংহের কলসিন্দুর বাংলাদেশের নারী ফুটবলের সূতিকাগার। জাতীয় দলের প্রতিনিধি সানজিদা, মারিয়া, তহুরা কিংবা কৃষ্ণা, এরা সবাই তো ময়মনসিংহেরই রত্ন। গত দুই বছরে কলসিন্দুর দেশের নারী ফুটবলকে দিয়েছে দু'হাত উজাড় করে। 

একটা গ্রাম থেকেই উঠে এসেছে জাতীয় দলের প্রায় ১২ জন ফুটবলার। বাংলাদেশ তো বটেই, গোটা বিশ্বের বুকেই এমন নজির খুব কমই আছে।বলছি ময়মনসিংহের কলসিন্দুরের কথা।


ময়মনসিংহের কলসিন্দুর বাংলাদেশের নারী ফুটবলের সূতিকাগার। জাতীয় দলের প্রতিনিধি সানজিদা, মারিয়া, তহুরা কিংবা কৃষ্ণা, এরা সবাই তো ময়মনসিংহেরই রত্ন। গত দুই বছরে কলসিন্দুর দেশের নারী ফুটবলকে দিয়েছে দু'হাত উজাড় করে। 


বাংলাদেশ নারী ফুটবলার তৈরিতে রূপকথার জন্ম দিয়েছে ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী এই ধোবাউড়া উপজেলা। এ উপজেলারই কলসিন্দুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন ফুটবলার। ২০১১ সালে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট দিয়ে নারী ফুটবলের সূচনা হয়। পরে ২০১৩, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। 


এরপর সেই ধারাবাহিকতায়ই শুরু হয় উচ্চ মাধ্যমিকের পথচলা। এ পর্যায়ে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় তিনবার চ্যাম্পিয়ন এবং দু'বার জাতীয় পর্যায়ে রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে কলসিন্দুরের মেয়েরা।


পরে বয়ঃভিত্তিক বিভিন্ন টুর্নামেন্টে সুযোগ পায় কলসিন্দুরের বেশ কয়েক নারী ফুটবলার। সেখান থেকেই নারী বয়ঃভিত্তিক জাতীয় দল এবং শেষে বাংলাদেশ নারী জাতীয় দল।


কলসিন্দুরের প্রায় প্রতিটি ঘরের মেয়েরাই ফুটবল খেলার জন্য উদগ্রীব। সময় পেলেই বল পায়ে নেমে পড়েন মাঠে। যদিও সেখানে নেই বাফুফের কোনো ফুটবল একাডেমী। এমনকি, বাফুফের কোনো সরাসরি তত্ত্বাবধানও নেই সেখানে। বাফুফের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে যদি মেয়েদের প্রশিক্ষণের মাঠের সুবিধা বাড়ানো হয় তাহলে কলসিন্দুর ভবিষ্যতে সানজিদা, মারিয়াদের মতো এরকম বহু রত্নের জন্ম দিবে সেটা একরকম বলাই যায়।