কাবুল বিমান বন্দরে কাজে ফিরলো নারীকর্মীরা

কাবুল বিমান বন্দরে কাজে ফিরলো নারীকর্মীরা
ছবি: সংগৃহীত
আগে কাবুল বিমানবন্দরে ৮০ নারী কাজ করতেন। এখন পশ্চিমা বাহিনীর সাথে বিদেশে চলে যাওয়া ও নিরাপত্তা সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণে কাবুল বিমানবন্দরে মাত্র ১২ নারী কাজে ফিরেছেন। তারা কাজে ফিরে এলে তাদেরকে কোনো বাধা দেয়নি তালেবান কর্তৃপক্ষ। ওই নারীরা এখন কাবুল বিমানবন্দরেই কাজ করছেন। এদের মধ্যে ছয় নারীকে দেখা গেছে ওই বিমানবন্দরে প্রধান প্রবেশ পথে দাঁড়িয়ে আছেন। তারা মূলত ডমিস্টিক ফ্লাইটে যাওয়া নারীদের দেহ তল্লাশি ও স্ক্যান করার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর তালেবান কর্তৃপক্ষ শাসিত কাবুল শহরে বিমানবন্দরের কাজে ফিরেছেন নারী কর্মীরা। যদিও যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তানে নারীদের এখনই কাজে ফেরা সহজ ও নিরাপদ কোনো বিষয় নয়, তবুও তারা কাবুল বিমানবন্দরের কাজে ফিরে এসেছেন।

 

তালেবান কর্তৃপক্ষ আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর বলেছিল, যত দিন না যুদ্ধ-বিধ্বস্ত আফগানিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক হয়, তত দিন পর্যন্ত নারীরা যেন ঘরে অবস্থান করেন। কারণ, যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশে নারীদের নিজেদের নিরাপত্তার জন্যই এখন ঘরে থাকা আবশ্যক হয়ে গেছে।

 

কিন্তু, তিন বাচ্চার মা রাবিয়া জামালের  জন্য অন্য আয়ের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এ বিষয়ে রাবেয়ার বক্তব্য, ‘আমার পরিবারকে সমর্থন দেয়ার জন্য আমার অর্থের দরকার।’ এ কারণে তিনি নেভি ব্লু রঙের স্যুট পরে তৈরি হয়ে কাবুল বিমানবন্দরের কাজে ফিরে আসেন। ঘরের মধ্যে আর্থিক সমস্যা নিয়ে তিনি খুবই দুশ্চিন্তায় ছিল। এখন কাবুল বিমানবন্দরের কাজে ফিরতে পেরে সে চিন্তা থেকে কিছুটা মুক্তি মিলেছে তার।

 

আগে কাবুল বিমানবন্দরে ৮০ নারী কাজ করতেন। এখন পশ্চিমা বাহিনীর সাথে বিদেশে চলে যাওয়া ও নিরাপত্তা সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণে কাবুল বিমানবন্দরে মাত্র ১২ নারী কাজে ফিরেছেন। তারা কাজে ফিরে এলে তাদেরকে কোনো বাধা দেয়নি তালেবান কর্তৃপক্ষ। ওই নারীরা এখন কাবুল বিমানবন্দরেই কাজ করছেন। এদের মধ্যে ছয় নারীকে দেখা গেছে ওই বিমানবন্দরে প্রধান প্রবেশ পথে দাঁড়িয়ে আছেন। তারা মূলত ডমিস্টিক ফ্লাইটে যাওয়া নারীদের দেহ তল্লাশি ও স্ক্যান করার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

 

দেশটিতে নারীর  কাজের স্থান এবং সু্যোগ নিশ্চিত করা গেলে আস্থা বিশ্বাস ফিরে পাবে তালেবান সরকার। তালেবান সরকার কিভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে তার ইঙ্গিত বিশেষজ্ঞরা আগেই দিয়েছেন। তবে নারীদের অধিকার নিশ্চিত হলেই কেবল একটি উন্নয়নশীল সমাজ গঠন সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।