নারী শিক্ষায় তালেবানের নতুন নীতি

নারী শিক্ষায় তালেবানের নতুন নীতি
নারী শিক্ষায় তালেবানের নতুন নীতি
বিবিসি ও আল-জাজিরার সূত্রানুসারে, হাক্কানি বলেন, নারীরাও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারবেন, তবে ছেলেদের সঙ্গে এক কক্ষে বসে নয়। এছাড়া মেয়েদের নির্দিষ্ট ড্রেস-কোডও মেনে চলতে হবে। আফগানিস্তানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বর্তমানে যেসব বিষয় পড়ানো হচ্ছে, সেগুলোও পর্যালোচনা করবেন তারা।

তালেবান রাজত্ব শুরু হওয়ায় আফগানিস্তানে বিভিন্ন সময় নারীদের জন্য এসেছে নানা নিষেধাজ্ঞা, নানা নীতি। গতকাল রবিবার (১২ আগস্ট) নারী শিক্ষা নিয়ে নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেন তালেবানের উচ্চশিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল বাকি হাক্কানি।


বিবিসি ও আল-জাজিরার সূত্রানুসারে, হাক্কানি বলেন, নারীরাও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারবেন, তবে ছেলেদের সঙ্গে এক কক্ষে বসে নয়। এছাড়া মেয়েদের নির্দিষ্ট ড্রেস-কোডও মেনে চলতে হবে। আফগানিস্তানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বর্তমানে যেসব বিষয় পড়ানো হচ্ছে, সেগুলোও পর্যালোচনা করবেন তারা।


এক সংবাদ সম্মেলনে আবদুল বাকি হাক্কানি বলেন, আফগান নারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পড়তে পারবেন। তাদের হিজাব পরতে হবে। তবে মুখ ঢাকা বাধ্যতামূলক কি না, তা তিনি স্পষ্ট করেননি। শ্রেণীকক্ষে নারী ও পুরুষ শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে বসতে হবে। আমরা ছেলে-মেয়েদের একসঙ্গে ক্লাস করতে দেব না। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে সহশিক্ষা বাতিলে কোনও সমস্যা হবে না। কারণ আমাদের জনগণ মুসলিম। তারা বিষয়টি মেনে নেবে।


তালেবান রাজত্ব শুরুর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে সহশিক্ষার সুযোগ ছিল এবং নির্দিষ্ট কোনও ড্রেস-কোড নির্ধারণ করা ছিল না। কিন্তু এখন তালেবান বলছে, মেয়েরা চাইলে পোস্ট গ্র্যাজুয়েটও পড়তে পারবে। তবে এর জন্য সম্ভব হলে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোয় আলাদা ক্যাম্পাস অথবা অন্তত আলাদা ক্লাসরুম করা হবে। তবে নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রায় ২০ বছর আগের নীতি থেকে কিছুটা সরে এসেছে তালেবান।