প্রণোদনা ঋণের ৩৩% পেয়েছেন নারীরা

প্রণোদনা ঋণের ৩৩% পেয়েছেন নারীরা
প্রণোদনা ঋণের ৩৩% পেয়েছেন নারীরা
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং পল্লি এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের দ্বিতীয় দফার প্রণোদনার আওতায় মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) উদ্যোক্তাদের মধ্যে ঋণ বিতরণের জন্য এসএমই ফাউন্ডেশনের অনুকূলে ৩০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে গত অর্থবছরে ১০০ কোটি টাকা সফলভাবে বিতরণের পর চলতি অর্থবছরে ২০০ কোটি টাকা বিতরণ করা হবে।

করোনা মহামারীর আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় এসএমই ফাউন্ডেশনের বিতরণকৃত ১০০ কোটি টাকার ৩৩ শতাংশই পেয়েছেন নারী-উদ্যোক্তারা। উদ্যোক্তা বাজারে এ যেন নারীদের জন্য এক বিশাল প্রাপ্য। 

 

করোনা মহামারির এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের ঢেউয়ে বাংলাদেশে মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এসব উদ্যোক্তারা যাতে, তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারেন সে-লক্ষ্যে অন্যান্য খাতের ন্যায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্যও সরকারের প্রণোদনা প্যাকজের আওতায় তিনশ’ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় এসএমই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে স্বল্প-সুদে ২০২০-’২১ অর্থবছরে বরাদ্দকৃত অর্থের এক তৃতীয়াংশ বিতরণ করা হয়েছে। 

 

সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যোগ্য নারী উদ্যোক্তা বাছাই করে তাদের মাঝে ঋণ বিতরণ করেছেন। মাত্র দুই মাসেরও কম সময়ে এ ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

 

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং পল্লি এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের দ্বিতীয় দফার প্রণোদনার আওতায় মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) উদ্যোক্তাদের মধ্যে ঋণ বিতরণের জন্য এসএমই ফাউন্ডেশনের অনুকূলে ৩০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে গত অর্থবছরে ১০০ কোটি টাকা সফলভাবে বিতরণের পর চলতি অর্থবছরে ২০০ কোটি টাকা বিতরণ করা হবে।

 

এ লক্ষ্যে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সারা দেশের নারী উদ্যোক্তা এবং এসএমই ফাউন্ডেশন, বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি সংগঠন ও অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সুপারিশকৃত এসএমই উপখাত, ট্রেডবডি এবং গ্রুপের তালিকাভুক্ত উদ্যোক্তা এবং সিএমএসএমই খাতের জন্য সরকার ঘোষিত প্রথম দফার প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ না পাওয়া পল্লী ও প্রান্তিক পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদান করবে।

 

নারীদের এই ঋণ নিজ কর্মক্ষেত্র তৈরি করতে আরো উৎসাহ প্রদান করবে। এতে করে নারীরা আরো স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে।