রাবেয়া বেগমের মাংস সমিতি

রাবেয়া বেগমের মাংস সমিতি
রাবেয়া বেগমের মাংস সমিতি
বর্তমানে প্রতিটি পাড়া মহল্লায় এই সমিতি রয়েছে। ১০/১২ বছর আগে এই সমিতির কাজ শুরু হয়। রাবেয়ার সমিতিতে ৩৩ জন নারী সদস্য আছেন। তাঁরা প্রতি মাসে ৩০০ টাকা করে জমা রাখেন। বছর শেষে তাঁদের সমিতিতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মতো জমা হয়। এবার তাঁরা ১ লাখ ১০ হাজার টাকা দিয়ে একটা গরু কিনেছেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে ওই গরু জবাই করে তাঁরা মাংস ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। 

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাঁকড়াজান ইউনিয়নের হামিদপুর গ্রামের রাবেয়া বেগমের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে একটি মাংস সমিতি। সারা বছর মাসে মাসে সঞ্চয় করে ঈদের আগে পশু কিনে জবাই করে মাংস ভাগ করে নেন সমিতির সদস্যরা। 

 

বর্তমানে প্রতিটি পাড়া মহল্লায় এই সমিতি রয়েছে। ১০/১২ বছর আগে এই সমিতির কাজ শুরু হয়। রাবেয়ার সমিতিতে ৩৩ জন নারী সদস্য আছেন। তাঁরা প্রতি মাসে ৩০০ টাকা করে জমা রাখেন। বছর শেষে তাঁদের সমিতিতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মতো জমা হয়। এবার তাঁরা ১ লাখ ১০ হাজার টাকা দিয়ে একটা গরু কিনেছেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে ওই গরু জবাই করে তাঁরা মাংস ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। 

 

রাবেয়া বেগম বলেন, ঈদের আগে নানা কিছু কেনাকাটায় টাকা শেষ হয়ে যায়। এ সময় তাঁদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে গরুর মাংস কেনা অসম্ভব হয়ে পড়ে। নারীরা সমিতি করার কারণে ঈদের আগে পরিবারের পুরুষদের অনেক চাপ কমেছে। এতে সমিতির সদস্যদের মধ্যে ঈদের আনন্দ বেড়ে যায়।

 

সারা বছর অল্প অল্প করে এই টাকা জমানোয় সংসারের চাপও অনেক কমে যায়। বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণে সংসারে সমতা ফিরে আসে। নারীর মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। শুরুতে শুধু নিম্নবিত্তের লোকেরা এ ধরনের সমিতি করলেও এখন মধ্যবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্তের মধ্যেও এ ধরনের সমিতি করার আগ্রহ বেড়েছে।