বিজ্ঞানে জিনিয়াস নারীদের অবদান

বিজ্ঞানে জিনিয়াস নারীদের অবদান
বিজ্ঞানে জিনিয়াস নারীদের অবদান
প্রখ্যাত কবি লর্ড বাইরনের কন্যা অ্যাডা লভালেইস (১৭) উদ্ভাবক চার্লস ব্যাবেজের বন্ধু ছিলেন। চার্লস ব্যাবেজকে বলা হয় কম্পিউটারের জনক। অ্যাডা তার শিক্ষকের জন্য একটি ফ্রেন্স আর্টিকেল ভাষান্তর করার সময় নিজের জন্যে বেশ কিছু নোট যোগ করেন, যা মূল আর্টিকেলটির তিনগুণ ছিল। ১৮৪৩ সালে কম্পিউটারটা চিঠি ও নম্বর ব্যবহারের জন্য কোড কীভাবে কাজ করে, সেই সম্পর্কিত তার কাজের উপরে একটি বই প্রকাশিত হয়। সেই সাথে অ্যাডা লভালেইস ইতিহাসের পাতায় প্রথম প্রোগ্রামার হিসেবে নিজের নামটি স্থায়ী করে ফেলেন।

আবিষ্কারের নেশা কী শুধুই পুরুষের, অবশ্যই না, ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় এমন অনেককিছুর আবিষ্কারও সেই জিনিসটি তৈরির পেছনে রয়েছে জিনিয়াস নারীদের ভূমিকা, যা আমরা জানতেই পারিনি। এমন কয়েকটি পরিচিত জিনিসের নারী আবিষ্কারকদের এখানে তুলে আনা হলো :

ডিএনএ মডেল


ডাবল-হেলিক্স ডিএনএ মডেলের উদ্ভাবক হিসেবে জেমস ওয়াটসন ও ফ্যাঞ্চিস ক্রিক-এর কথা সবার জানা আছে নিশ্চয়। কিন্তু তাদের সঙ্গে যে-নামটি আজ থাকার কথা ছিল, যিনি মূলত এই মডেলের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেছিলেন, তাকে আমরা অনেকেই চিনি না। নারী ফিজিক্যাল কেমিস্ট রোসালিন্ড ফ্যাঙ্কলিন একটি মেশিনের ডিজাইন করেন। ১৯৫২ সালে এই মেশিনটি এমন একটি ছবি তোলে যা ডিএনএ’র আকারের প্রমাণ দেখায়। চযড়ঃড়মৎধঢ়য ৫১ হিসেবে সুপরিচিত। 


কম্পিউটার প্রোগ্রামিং


প্রখ্যাত কবি লর্ড বাইরনের কন্যা অ্যাডা লভালেইস (১৭) উদ্ভাবক চার্লস ব্যাবেজের বন্ধু ছিলেন। চার্লস ব্যাবেজকে বলা হয় কম্পিউটারের জনক। অ্যাডা তার শিক্ষকের জন্য একটি ফ্রেন্স আর্টিকেল ভাষান্তর করার সময় নিজের জন্যে বেশ কিছু নোট যোগ করেন, যা মূল আর্টিকেলটির তিনগুণ ছিল। ১৮৪৩ সালে কম্পিউটারটা চিঠি ও নম্বর ব্যবহারের জন্য কোড কীভাবে কাজ করে, সেই সম্পর্কিত তার কাজের উপরে একটি বই প্রকাশিত হয়। সেই সাথে অ্যাডা লভালেইস ইতিহাসের পাতায় প্রথম প্রোগ্রামার হিসেবে নিজের নামটি স্থায়ী করে ফেলেন।

ডিশ ওয়াশার


ডিশওয়াশার তৈরির ধারণাটি এসেছে বিত্তবান পরিবারের কন্যা জোসেফিন কোক্রেইন-এর কাছ থেকে। চাকরদের অনবরত থালাবাসন ধোয়ার বিষয়টি তাকে ভাবায়। তাদের কষ্ট কমাতে কিছু একটা করার তাগিদ থেকেই জোসেফিন তৈরি করেন মোটস চালিত ডিশওয়াশার।


হোম সিকিউরিটি সিস্টেম


১৯৬০ সালে নার্স ম্যারি ভ্যান ব্রিটেন ব্রাউন একা বাসায় থাকতে ও বাসা খালি রেখে কোথাও যেতে একেবারেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন না। নিজে নার্স ও স্বামী ইলেক্ট্রেশিয়ান হওয়ার ফলে দুজনের সময় মিলত না বললেই চলে। তখন দুজনে ম্যারির আইডিয়া অনুযায়ী তৈরি করে নতুন ধরনের সিকিউরিটি সিস্টেম। যার মাধ্যমে ক্যামেরার সাহায্যে বাসা ও বাসার সামনের অংশের ছবি অন্য একটি টিভি স্ক্রিনে সরাসরি দেখা যেত। এছাড়া টু-ওয়ে অডিও ইকুয়েপমেন্ট বাসার বাইরে থাকা আগুন্তকের সঙ্গে কথা বলার সুযোগও করে দিত।


বিদ্যুৎচালিত রেফ্রিজারেটর


বর্তমানে দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য একটি যন্ত্র হলো আধুনিক বিদ্যুৎচালিত রেফ্রিজারেটর। ১৯১৪ সাল থেকে যন্ত্রটির ব্যবহার পুরো বিশ্বব্যাপী শুরু হয়েছে। আর এই আবিষ্কারের নেপথ্যে রয়েছেন একজন নারী, তিনি হলেন ফ্লোরেন্স পারিপার্ট। শুধুমাত্র বিদ্যুৎতচালিত রেফ্রিজারেটর নয়, বরং সেইসাথে ১৯০০ সালে রাস্তা পরিষ্কার যন্ত্র নির্মাণের একটি প্যাটেন্টও লাভ করেন, যা পরবর্তীসময় বাজারজাত করতে সক্ষম হন।