পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারীদের বসবাস যেখানে!

পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারীদের বসবাস যেখানে!
পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারীদের বসবাস যেখানে!
এটিই পৃথিবীর একমাত্র সম্প্রদায় যারা গড়ে ১০০ বছরেরও বেশিদিন বাঁচে। বলা হয়, একজন সাধারণ নারী যেখানে ৬০ বছর বাঁচার কথা , সেখানে হানজা সম্প্রদায়ের নারীরা ১৬০ বছরেরও বেশিদিন বাঁচে।

আফগানিস্তান ও চীনের সীমান্ত লাগোয়া পাকিস্তানের একেবারে উত্তর দিকের এক পাহাড়ি এলাকা হানজা উপত্যকা। ছোট্ট এ অঞ্চলটি যেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। কিন্তু শুধু ভূপ্রকৃতিই নয় পুরো বিশ্বজুড়ে অঞ্চলটি পরিচিত এখানকার নারীদের অপরূপ সৌন্দর্যের জন্য। এই এলাকার নারীদের পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারী বলা হয়। 

 


নারীর ভুবন ভুলানো সৌন্দর্য দিয়ে যুগে যুগে তৈরি হয়েছে বহু ইতিহাস। মানুষ যে সুন্দরের পূজারী, তাই যেকোন সৌন্দর্যই তাদের আকৃষ্ট করে বারংবার। তাই এ অঞ্চলটি যতটা জনপ্রিয় এখানকার সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য তার চেয়ে বেশি জনপ্রিয় এ অঞ্চলের নারীদের রূপের সৌন্দর্যের জন্য। কারণ বিশ্বের সবথেকে সুন্দরী নারীদের বসবাস এ অঞ্চলে। সুন্দরীদের এমন উপস্থিতি হানজা উপত্যকা ও তার আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় ভিন্ন এক দৃশ্যরূপের জন্ম দিয়েছে।

 


শিশুকাল থেকেই এদের সৌন্দর্য হয়ে ওঠে অতুলনীয়। তারা পাহাড়ের একটি ছোট অঞ্চলে বসবাস করে এবং নিজেদের মধ্যেই বিয়ে করে থাকে।

 

 

এই অঞ্চলের সুন্দরী নারীদের সম্পর্কে প্রচলিত রয়েছে নানা কথা, নানা মিথ। গ্রীক বীর আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট এই সম্প্রদায়ের পূর্বপুরুষ বলে দাবি করে তারা। হানজা উপত্যকার সার্বিক সৌন্দর্য এবং নারীদের রূপে আকৃষ্ট হয়ে বছর জুড়ে এখানে থাকে পর্যটকদের আনাগোনা। 

 


শুধু সৌন্দর্যের দিক থেকেই রেকর্ড সৃষ্টিকারী নয়। আয়ুর তুলনায় এরা পৃথিবীর সকল জাতি ও উপজাতির থেকে ভিন্ন। এটিই পৃথিবীর একমাত্র সম্প্রদায় যারা গড়ে ১০০ বছরেরও বেশিদিন বাঁচে। বলা হয়, একজন সাধারণ নারী যেখানে ৬০ বছর বাঁচার কথা , সেখানে হানজা সম্প্রদায়ের নারীরা ১৬০ বছরেরও বেশিদিন বাঁচে।

 


এই নারীদের নিয়ে আরও একটি বিস্ময়কর তথ্য হল অনেক বেশি বয়স পর্যন্ত এরা সন্তান ধারণে সক্ষম থাকেন বলে প্রচলিত। এই সুন্দরী নারীরা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত সন্তান জন্মদানে সক্ষম। এই এলাকার মানুষের শিক্ষাগত যোগ্যতাও নেহাত কম নয়৷  তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার হার ৯০ শতাংশের ওপরে বলে শোনা যায়। 

 


হানজা সম্প্রদায়ের সৌন্দর্য এবং আয়ু কেন এত বেশি তা জানার জন্য অনেক ধরনের গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, তারা ধরাবাধা জীবনযাপন করে। দিনে দুই বেলা খায় এবং অনেক কায়িক পরিশ্রমের কাজ করে। এই সম্প্রদায়ের ৯৯ শতাংশ মানুষই ভেজিটেরিয়ান এবং তাদের খাদ্যদ্রব্যগুলোর বেশিরভাগই তৈরি পনির, দুধ, বাদাম এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য থেকে। 

 


এসব নারীর সৌন্দর্যের একটি গোপন রহস্য হিসেবে বলা হয়  তারা পানির চেয়ে মদ পান করে বেশি। এছাড়া তারা তাদের অবিশ্বাস্য সৌন্দর্যের আরেকটি কারণ হল যোগব্যায়াম।

 

 

দিনের কাজ শুরু করার আগে সকালে তারা কমপক্ষে ৩ ঘণ্টা যোগব্যায়াম করে। উপত্যকায় বাস করা এই হানজা সম্প্রদায়ের মানুষ নিয়মিত শ্বাসক্রিয়ার ব্যায়াম করে, যা তাদের চর্ম ও শরীরকে নানাভাবে উপকৃত করে।