শুধু মার্চেই নির্যাতিত ৩৫২ নারী ও কন্যাশিশু!

শুধু মার্চেই নির্যাতিত ৩৫২ নারী ও কন্যাশিশু!
সংগৃহীত
২০২১ সালের মার্চ মাসে মোট ৩৫২ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১০৯ জন তন্মধ্যে ৭০ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার।এদের মধ্যে ৬২ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার, ৫ জন কন্যাশিশু দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার, ১ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের পর হত্যা এবং ২ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যার শিকার হয়েছে।

আমাদের সমাজে নারী ও কন্যা শিশুর উপর নির্যাতন নতুন কিছু নয়।  মাসের পর মাস এ সংখ্যা শুধু বেড়েই চলেছে।  এবার এমনি এক জরিপ প্রকাশ করলো বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।
জরিপে জানানো হয় গত মার্চ মাসেই ৩৫২ জন নারী ও কন্যাশিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ক্রমাগত নারী ও শিশু নির্যাতন বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা। 


শনিবার (৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা এ জরিপের কথা তুলে ধরেন এবং এ বিষয়ে তাদের  উদ্বেগের কথা জানায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড। 


বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, ২০২১ সালের মার্চ মাসে মোট ৩৫২ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১০৯ জন তন্মধ্যে ৭০ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার।এদের মধ্যে ৬২ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার, ৫ জন কন্যাশিশু দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার, ১ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের পর হত্যা এবং ২ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যার শিকার হয়েছে। 


এছাড়াও ১০ জন কন্যাশিশু সহ ১৭ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। ২ জন কন্যাশিশু সহ ৪ জন শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছে। ৭ জন শিশুসহ যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে ১০ জন। এসিডদগ্ধের শিকার হয়েছে ২ জন। অগ্নিদগ্ধের শিকার হয়েছে ৬ জন তন্মধ্যে ৪ জনের অগ্নিদগ্ধের কারণে মৃত্যু হয়েছে। 

 

এছাড়াও বিভিন্ন কারণে ১২ জন শিশুসহ ৪৯ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এবং ১১ জনকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ২০ জন, তন্মধ্যে ৯ জনকে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৭ জন শিশুসহ মোট ৩৩ জন। উত্ত্যক্ত-করণের শিকার হয়েছে ৩ জন। ১০ জন শিশুসহ অপহরণের ঘটনার শিকার মোট ১৬ জন।


সংগঠনটি আরও জানায়, বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে আত্মহত্যা করেছে ৮ জন শিশুসহ ১৫ জন। ১২ জন শিশুসহ ৪৩ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বাল্যবিবাহ সংক্রান্ত ঘটনা ঘটেছে ৫ টি। সাইবার অপরাধের শিকার ৪ জন শিশুসহ ৭ জন। ১৩টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে নির্যাতনের এই পরিসংখ্যান করা হয়।