শীতে গরম পানির উপকারিতা 

শীতে গরম পানির উপকারিতা 
ছবিঃ সংগৃহীত
সাধারণত আমাদের দিনে দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করার কথা, তবে শীতে এই পানি পানের পরিমাণ অনেকটা কমে যায়। ফলে শীতের শুষ্ক ত্বক আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। এছাড়া শরীরের বিষাক্ত উপাদানগুলো কম পানি পান করলে শরীর থেকে বেরুতে পারে না। যার ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে সেই সাথে মাথা ঘোরা, বমিভাব, ব্রণ, জ্বালাপোড়াসহ নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।

শরীর সুস্থ থাকলে মন ভালো থাকে এবং যেকোনো কাজ ই স্বস্তির সাথে করা যায়। কিন্তু শীত আসলে দেখা যায় শরীরে কোনো না রোগ রোগ বাসা বেধেই থাকে। কখনও জ্বর-সর্দি, তো কখনও হাঁচি-কাশি। এসব সমস্যা আবার খাবার ঠিক মতো না খাওয়ার জন্যও হয়ে থাকে। পানি শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু শীতে এই পানিই কম পান করা হয়। শীতে কম পানি পান করা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হচ্ছে না তো?

 

সাধারণত আমাদের দিনে দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করার কথা, তবে শীতে এই পানি পানের পরিমাণ অনেকটা কমে যায়। ফলে শীতের শুষ্ক ত্বক আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। এছাড়া শরীরের বিষাক্ত উপাদানগুলো কম পানি পান করলে শরীর থেকে বেরুতে পারে না। যার ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে সেই সাথে মাথা ঘোরা, বমিভাব, ব্রণ, জ্বালাপোড়াসহ নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।

 

শরীরে পানি ঘাটতি দেখা দিলে প্রচণ্ড ক্ষুধা লাগে এবং হজমের সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। 

 

শীতে পানি ঠাণ্ডা হওয়ায় সকলে পানি পান করতে অনীহা করে ফলে নানান ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তবে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে গরম পানি। ঠাণ্ডা পানির চেয়ে পানি হালকা গরম করে পান করলে তা শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারী।

 

হালকা গরম পানি শুধু শীতের সময়ই না সারাবছর করা যেতে পারে। এই অভ্যাসের উপকারিতা গুলো হলো-


গরম পানি পান করলে ঘাম হয় এবং ঘামের মাধ্যমে শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন বের হয়ে যায়।

 

গরম পানি শরীরের বাড়তি ফ্যাট ঝড়িয়ে দেয়। আর প্রতিদিন এক গ্লাস গরম পানিতে মধু, আদা এবং লবণ মিশিয়ে খেলে বেশ উপকার মিলবে।


গ্যাস অম্বলের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেও গরম পানি পান করা যায়।


এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে, দেহে রক্ত চলাচল বাড়াতে, পেশী সঞ্চালনা আরও মসৃণ করতে গরম পানি বেশ উপকারী।