কাজের মাঝেও ফিট থাকুন!

কাজের মাঝেও ফিট থাকুন!
ছবি: সংগৃহীত
বাড়িতে সর্বদা বাদাম রাখুন। আপনি অফিসে বা বাইরে কোথাও গেলে টিফিন বাক্সে নিতে পারেন। যেহেতু দিনের পরিশ্রমে প্রচুর শক্তি নষ্ট হয়ে যায়, ক্লান্ত লাগলে আপনি মুখে তিন বা চারটি বাদাম রাখতে পারেন।

বর্তমান সময়ে সবক্ষেত্রেই নারীরা অনেক এগিয়ে এসেছে। ঘরের কাজের পাশাপাশি অনেককেই অফিসও সামলাতে হচ্ছে। ব্যস্ততার কারণে নিজের যত্ন নেওয়ার সময় পায়না অনেকেই। কাজের মাঝে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে তাকাতে ভুলে যান অনেকেই। কিন্তু কাজে টিকে থাকতে হলে শরীর সুস্থ থাকাটা জরুরি।


শরীর সুস্থ রাখতে বা ফিটনেস ধরে রাখতে সকালের দিকে শরীরচর্চা সেরে নেওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে পারেন। প্রথম দিকে সপ্তাহে দু’দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে হাঁটতে বেরিয়ে যেতে পারেন। হাঁটতে ভাল না লাগলে, দৌড়নো, সাইক্লিং, সাঁতার কাটার মধ্যে যা পছন্দ সেটাই করতে পারেন। এছাড়াও কাজের মাঝে ফিট থাকতে আরো কিছু অভ্যাস তৈরি করতে পারেন। যেমন-

 

১. সকাল সকাল অফিসে যাওয়ার তাড়া যেকোনো চাকরিজীবীরই থাকে। তাই বলে সকালের খাবার না খেয়ে যাবেন না। বেলার দিকে অফিস হলে ভাত খেয়ে যেতে পারেন। এতে সারাদিন ক্ষুধা পাওয়ার প্রবণতা কমবে। আবার গৃহিণীরাও অনেক সময় কাজের চাপে সকালের খাবার খেতে পারেনা। এটা মোটেই করা যাবেনা।


২. আপনি যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য কাজ করতে চান তবে আপনি মাঝে মাঝে সেখানে প্রসারিত করতে পারেন। বাহু ও পা ঘোরার মতো অনুশীলন করা যেতে পারে। আপনি ঘাড় ব্যায়াম থেকে সহজেই পুনরুদ্ধার করতে পারেন। 


৩. আপনি যদি দীর্ঘ সময় ধরে লাইনে দাঁড়াতে চান তবে ডান পাতে কিছুক্ষণ বাম পায়ে দাঁড়ান। এভাবে ভারসাম্য বজায় রাখলে পায়ে পেশীর কাঠামো মজবুত হবে।
 

৪. ফোনে কথা বলার সময় বসে থাকার পরিবর্তে হাঁটার সময় কথা বলুন। 


৫. ড্রাই ফ্রুটস বা লো ফ্যাট কুকিজ সঙ্গে রাখতে পারেন। ক্ষুধা পেলে কাজের ফাঁকে সেগুলো অল্প করে খান। আর মাঝে মাঝে পানি পান করতে ভুলবেন না যেন।


৬. রান্না করার সময় ভাত বা অন্যান্য খাবার যোগ করে আপনি কয়েকটি ওয়াল পুশআপ বা কাফ স্ট্রেচও করতে পারেন। 


৭. আপনার ফিটনেস রুটিনে আপনার সাথে পাড়ার কোনও বন্ধু বা প্রতিবেশীকে সাথে নিতে পারেন। মর্নিং ওয়াক করার পরিকল্পনা করুন বা একসাথে দৌড়াবেন। 


৮. বাড়িতে সর্বদা বাদাম রাখুন। আপনি অফিসে বা বাইরে কোথাও গেলে টিফিন বাক্সে নিতে পারেন। যেহেতু দিনের পরিশ্রমে প্রচুর শক্তি নষ্ট হয়ে যায়, ক্লান্ত লাগলে আপনি মুখে তিন বা চারটি বাদাম রাখতে পারেন। আপনি দুধে বাদামের গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন।


৯. জাঙ্কফুড এড়িয়ে চলুন।